Outsourcing Archives | Study Tech https://www.studytechbd.com/category/outsourcing/ Freelancing Training Center Wed, 25 Oct 2023 12:57:29 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.8.3 https://www.studytechbd.com/wp-content/uploads/2023/11/cropped-Studytech-Site-Icon-32x32.png Outsourcing Archives | Study Tech https://www.studytechbd.com/category/outsourcing/ 32 32 দ্যা সিক্রেট অফ আউটসোর্সিং – [২০২৪] https://www.studytechbd.com/%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%85%e0%a6%ab-%e0%a6%86%e0%a6%89%e0%a6%9f%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8/ https://www.studytechbd.com/%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%85%e0%a6%ab-%e0%a6%86%e0%a6%89%e0%a6%9f%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8/#respond Mon, 23 Oct 2023 12:59:12 +0000 https://www.studytechbd.com/2020/09/15/%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%85%e0%a6%ab-%e0%a6%86%e0%a6%89%e0%a6%9f%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8/ গত দশক ধরে আউটসোর্সিং সংস্থাগুলো বেড়েই চলেছে এবং সেইসাথে বাড়ছে আউটসোর্সিং এর জনপ্রিয়তার হার। তবে জনপ্রিয়তা অর্জন করলেও আউটসোর্সিং এর ব্যাপারে প্রায় অনেকেরই নেতিবাচক ধারণা থাকে।  এর প্রধান নেতিবাচক ধারণা হল এটি বেকারত্ব বাড়িয়ে তোলে। কিন্তু আউটসোর্সিং নিয়ে আপত্তি শুরু করার আগে আমাদের জানতে হবে আউটসোর্সিং আসলে কি, কীভাবে আউটসোর্সিং করবো এবং কেন করবো। আউটসোর্সিং […]

The post দ্যা সিক্রেট অফ আউটসোর্সিং – [২০২৪] appeared first on Study Tech.

]]>
গত দশক ধরে আউটসোর্সিং সংস্থাগুলো বেড়েই চলেছে এবং সেইসাথে বাড়ছে আউটসোর্সিং এর জনপ্রিয়তার হার। তবে জনপ্রিয়তা অর্জন করলেও আউটসোর্সিং এর ব্যাপারে প্রায় অনেকেরই নেতিবাচক ধারণা থাকে। 

এর প্রধান নেতিবাচক ধারণা হল এটি বেকারত্ব বাড়িয়ে তোলে। কিন্তু আউটসোর্সিং নিয়ে আপত্তি শুরু করার আগে আমাদের জানতে হবে আউটসোর্সিং আসলে কি, কীভাবে আউটসোর্সিং করবো এবং কেন করবো।

আউটসোর্সিং কি?

আউটসোর্সিং হ’ল মূলত একটি বিজনেস প্র্যাকটিস, যেখানে একটি কোম্পানী তাদের কাজ সম্পাদন, পরিচালনা বা কোনও সার্ভিস সরবরাহ করার জন্য থার্ড-পার্টিকে নিয়োগ দিয়ে থাকে। 

আউটসাইড কোম্পানী যেগুলো সাধারণত সার্ভিস সরবরাহকারী বা থার্ড-পার্টি হিসেবে পরিচিত, তারা নিজস্ব কর্মী এবং কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে তাদের কাজ বা সার্ভিসগুলো সরবরাহ করে। কোম্পানীগুলি বেশ কয়েকটি সার্ভিস আউটসোর্স করতে পারে । তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে-

  • -প্রোগ্রামিং এবং অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলোপমেন্ট
  • -ইনফরমেশন টেকনোলোজী সার্ভিসসমূহ
  • -কাস্টমার এবং কল সার্ভিস ফাংশন ইত্যাদি সার্ভিসসমূহ আউটসোর্স করে। 

এছাড়াও ম্যানুফ্যাকচারিং প্রসেস, হিউম্যান রিসোর্স টাস্কস, বুককিপিং এবং পে-রোল প্রসেসিং এর মতো ফিন্যান্সিয়াল ফাংশনসহ অন্যান্য ধরণের কাজের আউটসোর্স করে থাকে। 

আউটসোর্সিং ১৯৮৯ সালের দিকে প্রাথমিকভাবে একটি ব্যবসায়িক কৌশল হিসাবে স্বীকৃত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে এটি বিজনেস ইকোনোমিকসের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। আউটসোর্সিংয়ের অনুশীলন এখনও পর্যন্ত অনেক দেশে একটি বিতর্কের বিষয়। 

এর বিপক্ষীয় লোকেদের যুক্তি অনুযায়ী এটি বিশেষত ডমেস্টিক জবগুলোর একটি বিরাট ক্ষতির কারণ। তবে সমর্থকরা বলেন যে,“আউটসোর্সিং বিশ্বব্যাপী মুক্ত-বাজার অর্থনীতির প্রকৃতি বজায় রাখতে সহায়তা করে।”

দ্যা সিক্রেট অফ আউটসোর্সিং

আউটসোর্সিং কাজের উদাহরণ

সাধারণত আউটসোর্সিং কৌশলগুলি কাস্টমার সার্ভিস, অ্যাকাউন্টিং, ট্যাক্স কনসাল্টিং, আইটি এবং মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টগুলোতে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সম্ভাব্য আউটসোর্সিং কৌশলগুলির উদাহরণগুলি নিম্নরূপ:

  • কাস্টমার সার্ভিস:

    একটি কোম্পানী কাস্টমার সার্ভিসের কাজটি একটি বিশেষ কোম্পানীর কাছে হস্তান্তর করে। কল সেন্টারগুলি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট মূল্যে নির্দিষ্ট কল ক্যাপাসিটি গ্রহণ করে থাকে।

  • মার্কেটিং:

    একটি কোম্পানী একটি বাহ্যিক সার্ভিস প্রোভাইডারের স্যোশাল মিডিয়া চ্যানেল গুলির সমর্থনকে আউটসোর্স করে।

  • পণ্য উত্পাদন:

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেক ফ্যাশন কোম্পানীগুলো পোশাক উত্পাদন করা খুব ব্যয়বহুল বলে মনে করে। এবং তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এশিয়াতে উৎপাদিত পোশাক পছন্দ করে। উৎপাদন সম্পন্ন হওয়ার পরে পোশাকটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেরণ করা হয়।

আউটসোর্সিং এর প্রকার

আউটসোর্সিং এর কয়েকটি পৃথক ধরন রয়েছে। সেগুলো হল:

  • Onshoring:

    কাজ বা সার্ভিসগুলি কোম্পানির নিজস্ব দেশে স্বল্প ব্যয় স্থানে স্থানান্তরিত করা।

  • Offshoring:

    বিদেশে থার্ড-পার্টি প্রোভাইডারদের কাছে কাজ বা সার্ভিস স্থানান্তরিত করা।

  • Nearshoring:

    প্রায়শই সীমান্তবর্তী দেশ এবং অঞ্চলগুলিতে লোকের কাছে কাজ বা সার্ভিস স্থানান্তরিত করা।

আউটসোর্সিং চুক্তিগুলি সাধারণত প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন হয়ে থাকে। মূলত প্রোগ্রামিং বা কনটেন্ট ক্রিয়েশনের মতো নির্দিষ্ট প্রসেসগুলির জন্য কাজের ভিত্তিতে উপযুক্ত ফ্রিল্যান্সারদের নিয়োগ দেওয়া হয়। একটি কোম্পানীর তাদের পুরো আইটি বিভাগের মাধ্যমে আউটসোর্সিং করার ক্ষেত্রে সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত প্রয়োজন অনুসারে লং-টার্ম পার্টনারশীপের  প্রয়োজন পড়ে। 

আউটসোর্সিং সার্ভিস

বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং অর্থাৎ, BPO হচ্ছে আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে একটি অতিরিক্ত শব্দ। এটি মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। যথা: 

(১) ব্যাক-অফিস BPO

যার মধ্যে বিলিং বা ক্রয়ের মতো অভ্যন্তরীণ ব্যবসায়ের ফাংশন অর্ন্তভূক্ত রয়েছে।

(২) ফ্রন্ট-অফিস BPO

যার মধ্যে কাস্টমার রিলেটেড সার্ভিস যেমন- মার্কেটিং বা টেক সাপোর্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

ইনফরমেশন টেকনোলজী আউটসোর্সিং অর্থাৎ ITO হলো বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিংয়ের একটি সাবসেট। বেশিরভাগ বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং কোনও কোম্পানীর নির্ধারিত প্রসেসের সাথে জড়িত।

Knowledge Process Outsourcing (KPO)

এমন প্রসেস গুলির সাথে জড়িত যেগুলোর সাধারণত উন্নত গবেষণা এবং বিশ্লেষণাত্মক, প্রযুক্তিগত এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা যেমন Pharmaceutical R&D বা পেটেন্ট রিসার্চের ডিমান্ড রয়েছে।

আইটি আউটসোর্সিং পুরোপুরি ভাবে CIO এর ডোমেনের আওতায় পড়ে। তবে CIO গুলি বেশিরভাগক্ষেত্রে নন-আইটি বিজনেস প্রসেস এবং নলেজ প্রসেসিংয়ের সাথে জড়িত থাকে। 

CIO গুলি আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যে দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়েছে তা নয়, সেইসাথে এটি বিজনেস এবং নলেজ প্রসেসের ক্ষেত্রে প্রায়শই IT সিস্টেম এবং সাপোর্টের সাথে যুক্ত।

দ্যা সিক্রেট অফ আউটসোর্সিং

আউটসোর্সিংয়ের কারণগুলি কী কী?

আউটসোর্সিংয়ের প্রত্যাশিত ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কাজ হস্তান্তর করার অন্যান্য কারণও বিদ্যমান। যেমন:

  • দক্ষতা বৃদ্ধি :

    কোম্পানীগুলো তাদের মূল দক্ষতার দিকে মনোনিবেশ করতে পারে এবং আরও দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে।

  • অনুকূল স্কেলিবিলিটি:

    আউটসোর্সিং শ্রমের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি করে। ফলস্বরূপ, সর্বাধিক আউটপুট অর্জন করা যায় এবং যথেষ্ট উৎপাদনেরও গ্যারান্টি দেওয়া যায়।

  • দ্রুত প্রতিক্রিয়া:

    থার্ড-পার্টি কোম্পানীগুলোকে কাজ দেয়ার মাধ্যমে আপনি পরিবতনের ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে উঠতে পারেন।

  • গুণমানের উন্নতি:

    আউটসোর্সিং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানের উন্নতি বয়ে নিয়ে আসে। 

  • খরচ বাঁচান:

    এক্সটার্নাল কোম্পানীগুলো তাদের সার্ভিসের ক্ষেত্রে উচ্চতর দক্ষতা অর্জন করে। তারা আরও অনেক বেশি সাশ্রয়ী মূল্যে কাজ করতে পারে এবং ছাড়ের অফার দেয়।

  • জানার অভাব:

    কোম্পানীগুলোতে মাঝে মাঝে নতুন প্রসেস এবং কাজের প্রয়োজন পড়ে। তবে সে অনুযায়ী সবসময় দক্ষ কর্মচারী পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে আউটসোর্সিং দক্ষ শ্রমিকের বিকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া যায়।

আউটসোর্সিং এর সুবিধা এবং ব্যয়

মূলত আউটসোর্সিং পরিস্থিতি অনুসারে পরিবর্তনশীল। তবে আউটসোর্সিংয়ের তুলনামূলক অনেকগুলো সুবিধা রয়েছে। যেমন: 

  • কম ব্যয় 
  • দক্ষতা বৃদ্ধি
  • পরিবর্তনশীল ক্ষমতা
  • কৌশল / মূল দক্ষতার উপর ফোকাস বৃদ্ধি
  • দক্ষতা বা সংস্থান অ্যাক্সেস
  • ব্যবসা এবং বাণিজ্যিক অবস্থার পরিবর্তনের পাশাপাশি নমনীয়তা বৃদ্ধি করে
  • বাজারে ত্বরিত সময়
  • অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোতে চলমান বিনিয়োগ কম
  • নতুন সরবরাহকারীর কাছে সম্পদ স্থানান্তর হওয়ার ফলে সম্ভাব্য নগদ প্রবাহ

অসুবিধাসমূহ

  • ধীরে ধীরে পরিবর্তন
  • বিজনেস অথবা ডোমেইন নলেজের অভাব
  • ভাষা এবং সাংস্কৃতিক বাধা
  • টাইম জোনের পার্থক্য
  • নিয়ন্ত্রনের অভাব ইত্যাদি।

সঠিক পন্থা

আপনি কি মনে করেন যে আউটসোর্সিং আপনার ব্যবসায়ের সেরা কৌশল, তবে কীভাবে এগিয়ে যাবেন তা বুঝতে পারছেন না? 

সহজ ভাবে বলতে গেলে প্রকল্প আউটসোর্সিংয়ের জন্য মূলত কোনও একক সঠিক পন্থা নেই। কোম্পানীগুলো যেমন একটি অপরটির থেকে আলাদা ধরনের হয় তেমনি আউটসোর্সিং কৌশলগুলিও আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। সুতরাং নিম্নলিখিত সেরা অনুশীলন পদ্ধতিগুলো পড়ুন:

১) বর্তমান অবস্থা অনুধাবন করুন:

কোনো কাজের, একটি সাব-রিজিওনের বা বিজনেস প্রসেসের প্রকৃত অবস্থা অনুধাবন করুন। এর মাধ্যমে আপনি আপনার কাজের সর্বোত্তম কোর্স নির্ধারণ করতে পারবেন এবং সেইসাথে আউটসোর্সিং কৌশলের সম্ভাবনা অনুমান করতে পারবেন।

২) প্রস্তুতি গ্রহণ করুন:

আউটসোর্সিং প্রকল্পের সর্বাধিক সুবিধা পেতে আপনার সংস্থার সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের সাথে কিক-অফ মিটিংয়ের ব্যবস্থা করুন। আপনার সভায়, আপনি ভবিষ্যতের যৌথ কাজের ভিত্তি স্থাপন করতে পারেন।

সেইসাথে প্রকল্পের উপকারিতা, প্রকল্পের সামগ্রী, সময়, এবং পরবর্তী পদক্ষেপগুলি হাইলাইট করুন এবং আলোচনা করুন।

৩) সার্ভিস প্রোভাইডার নির্বাচন করুন:

একে অপরের সাথে সম্ভাব্য সার্ভিস সরবরাহকারীদের তুলনা করুন। সম্ভাব্য সার্ভিস সরবরাহকারীদের সাথে বাছাই এবং কথোপকথনের জন্য আপনার একটি প্রোডাক্ট রিকুইরিমেন্ট এবং স্কোপ স্টেটমেন্ট প্রয়োজন।

প্রোডাক্ট রিকুইরিমেন্ট ডকুমেন্টসে আপনি সমস্ত বেসিক রিকুইরিমেন্টের পাশাপাশি রাফ প্রজেক্টের কনসেপ্টগুলিও রেকর্ড করতে পারেন। 

তবে স্কোপ স্টেটমেন্টে আপনি সংশ্লিষ্ট সমাধান এবং রিকুইরিমেন্টের ডিটেইলস নোট করুন। এর ওপর ভিত্তি করে সার্ভিস সরবরাহকারীরা নতুন সমাধান নিয়ে আসতে পারে অথবা বিদ্যমানগুলির বিকাশ করতে পারে এছাড়াও, আপনি সম্ভাব্য ভুল বোঝাবুঝি এড়িয়ে চলুন।

দ্যা সিক্রেট অফ আউটসোর্সিং

ভুল ভ্রান্তি এড়িয়ে চলুন

সাধারণত আউটসোর্সিং একটি জটিল প্রক্রিয়া হওয়ায় এর প্রয়োগে ভুল হতে পারে। এমনকি ব্যাপক পরিকল্পনার মাধ্যমেও নিখুঁত প্রসেসের গ্যারান্টি দেওয়া সম্ভব হয় না। নিচে কয়েকটি সাধারণ ভুল তুলে ধরা হলো যাতে আপনি সেগুলি এড়িয়ে যেতে পারেন:

  • ভুল আউটসোর্সিং পার্টনার:

    সন্তোষজনক ফলাফলের জন্য আপনার বিজনেস পার্টনার  সাবধানে নির্বাচন করা দরকার।

  • খামখেয়ালী আউটসোর্সিং:

    খামখেয়ালী আউটসোর্সিং করা থেকে বিরত থাকুন। শুধুমাত্র অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, প্রথমে আপনার নিজের কোম্পানির বিভিন্ন ক্ষেত্র এবং ক্রিয়াকলাপ বিবেচনা করে তারপরে সিদ্ধান্ত নেওয়া ভাল।

  • ভুল চুক্তি:

    ভুল চুক্তি থেকে দূরে থাকুন।কী আউটসোর্স করা হচ্ছে এবং কীভাবে বা কতটা নির্দিষ্ট মানদণ্ড পর্যবেক্ষণ করা হবে তা আগেই নির্দিষ্ট করে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

বিদেশে আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

আপনি যদি আপনার কাজের প্রক্রিয়ার অংশ আউটসোর্স করতে চান এবং বিদেশে কোনো কোম্পানী অথবা সার্ভিস প্রোভাইডারকে নিয়োগ করতে চান, তাহলে নিচের এই তিনটি বিষয় বিবেচনা করতে ভুলবেন না:

টাইম ডিফারেন্স:

আপনি বিশ্বব্যাপী ফ্রিল্যান্সারদের সাথে কাজ করতে পারেন। তবে কখনো কখনো জরুরী অ্যাসাইনমেন্ট বা মিটিং এর ক্ষেত্রে টাইম ডিফারেন্স অসুবিধা হতে পারে। আর তাই টাইম ডিফারেন্স এর বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত।

ভাষার প্রতিবন্ধকতা:

বিদেশে আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত ইংরেজিতে দক্ষ হওয়া। 

ওয়ার্কিং মেথড:

সব কোম্পানীর কাজের পদ্ধতি এবং কৌশল এক হয় না। হতে পারে আপনি যেভাবে অভ্যস্ত অন্য কোনো কোম্পানী অন্যভাবে সেই সমস্যার সমাধান করতে পারে। সুতরাং এই বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে মাথায় রাখা উচিত। 

পরামর্শ

অনেক কোম্পানী আছে যারা একটি সাশ্রয়ী মূল্যে সার্ভিস ক্রয় এবং তাদের নিজস্ব দক্ষতার ওপর পরিপূর্ণভাবে ফোকাসের উদ্দেশ্যে আউটসোর্সিং এর কৌশলগুলি অবলম্বন করে থাকে। প্রত্যাশিত সাফল্যের উদ্দেশ্যে এই জাতীয় ব্যবস্থার জন্য আধুনিক উৎপাদন এবং লজিস্টিক ধারণার প্রয়োজন। 

সঠিক সময়ে উৎপাদন কৌশল হচ্ছে এই ধারণাগুলির একটি উদাহরণ। অর্থাৎ প্রয়োজনের সাথে সাথেই পণ্য সামগ্রী উৎপাদন এবং বিতরণে কৌশলি হওয়া। এইভাবে একটি কোম্পানী তাদের স্টোরেজ ব্যয় বাঁচাতে পারে।

বর্তমানে, গ্লোবাল লজিস্টিক ধারণা এবং ইন্টারনেটের কনস্ট্যান্ট ডেভেলোপের কারণে কোম্পানীগুলোর তাদের প্রসেসের কম-বেশি বড় অংশ অন্য কোম্পানীগুলোর কাছে হস্তান্তর করা আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজ হয়ে গেছে। 

আউটসোর্সিং এর  সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো কোম্পানী তাদের কাজের গতি বাড়াতে এবং পণ্য বা সার্ভিসগুলি উন্নত করতে পারে। সেইসাথে ক্রমবর্ধমান বিশ্বে প্রতিযোগিতা মোকাবিলা করে টিকে থাকতে পারে।

দ্যা সিক্রেট অফ আউটসোর্সিং

আরও কিছু পোস্ট পড়তে পারেনঃ

The post দ্যা সিক্রেট অফ আউটসোর্সিং – [২০২৪] appeared first on Study Tech.

]]>
https://www.studytechbd.com/%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%85%e0%a6%ab-%e0%a6%86%e0%a6%89%e0%a6%9f%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8/feed/ 0
What is digital marketing? https://www.studytechbd.com/what-is-digital-marketing/ https://www.studytechbd.com/what-is-digital-marketing/#respond Tue, 07 Mar 2023 13:37:59 +0000 https://www.studytechbd.com/?p=5611 Digital marketing is promoting products, services, or brands using electronic media, such as the internet, social media, search engines, mobile devices, and electronic billboards. The goal of digital marketing is to connect with customers and promote engagement through various channels. There are several types of digital marketing, including: Search Engine Optimization (SEO): Optimizing a website […]

The post What is digital marketing? appeared first on Study Tech.

]]>
Digital marketing is promoting products, services, or brands using electronic media, such as the internet, social media, search engines, mobile devices, and electronic billboards. The goal of digital marketing is to connect with customers and promote engagement through various channels.

There are several types of digital marketing, including:

  1. Search Engine Optimization (SEO): Optimizing a website to rank higher in search engine results pages (SERPs) in order to drive more traffic to the site.
  2. Search Engine Marketing (SEM): Using paid advertising on search engines to reach potential customers.
  3. Content Marketing: Creating and sharing valuable content to attract and engage an audience, with the goal of driving profitable customer action.
  4. Social Media Marketing: Using social media platforms to promote products, services, or brands.
  5. Affiliate Marketing: Partnering with other businesses to promote products, services, or brands.
  6. Email Marketing: Using email to promote products, services, or brands.
  7. Influencer Marketing: Partnering with individuals with a large social media following to promote products, services, or brands.
  8. Video Marketing: Using videos to promote products, services, or brands.
  9. Mobile Marketing: Reaching customers on mobile devices through SMS, apps, or mobile websites.

These are just a few examples of the many types of digital marketing available. Depending on your industry and target audience, certain kinds may be more effective than others.

Let me know if you have any specific questions on any of the above types.

The post What is digital marketing? appeared first on Study Tech.

]]>
https://www.studytechbd.com/what-is-digital-marketing/feed/ 0
ওয়েব ডিজাইন: A Beginner’s Guide https://www.studytechbd.com/web-design-a-beginners-guide/ https://www.studytechbd.com/web-design-a-beginners-guide/#comments Wed, 14 Oct 2020 03:22:52 +0000 https://www.studytechbd.com/2020/10/14/web-design-a-beginners-guide/ ওয়েব ডিজাইন বেশ জটিল হলেও ইন্টারনেট এবং প্রযুক্তি বিকাশের সাথে সাথে বর্তমানে এটি আগের তুলনায় অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আজকাল তরুণদের মধ্যে নিজেকে একজন ওয়েব ডিজাইনার তৈরী করার প্রবণতা দেখা যায়। আর তাই, সেই আগ্রহী তরুণদের কথা বিবেচনা করে এই আলোচনা গাইড। তো চলুন, জানা যাক মূলত- ওয়েব ডিজাইন কি? ভিজ্যুয়াল + ইন্টারঅ্যাকশন = […]

The post ওয়েব ডিজাইন: A Beginner’s Guide appeared first on Study Tech.

]]>
ওয়েব ডিজাইন বেশ জটিল হলেও ইন্টারনেট এবং প্রযুক্তি বিকাশের সাথে সাথে বর্তমানে এটি আগের তুলনায় অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আজকাল তরুণদের মধ্যে নিজেকে একজন ওয়েব ডিজাইনার তৈরী করার প্রবণতা দেখা যায়। আর তাই, সেই আগ্রহী তরুণদের কথা বিবেচনা করে এই আলোচনা গাইড। তো চলুন, জানা যাক মূলত-

ওয়েব ডিজাইন কি?

ভিজ্যুয়াল + ইন্টারঅ্যাকশন = ওয়েব ডিজাইন

অনেক তরুণ ডিজাইনারদের ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে ভুল ধারণা রয়েছে। মূলত, ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে ডিজাইন সম্পর্কিত, ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কিত নয়। অবশ্যই যদি আপনার কিছু কোডিং ল্যাংগুয়েজ যেমন, HTML, CSS, Java ইত্যাদি সম্পর্কে জানা থাকে তাহলে এতে আপনার দক্ষতা বাড়বে। তবে শুধু এগুলোর মাধ্যমে আপনি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবেন না। কেননা, এটি ওয়েব ডিজাইনের মূল বিষয় নয়। 

ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে ইউজারদের ওয়েব-পেইজের ইন্টারএ্যাক্ট করার একটি উপায়।

ওয়েবসাইট ডিজাইনের প্রকারভেদ

অনলাইনে এমন অনেক আর্টিকেল দেখে থাকবেন যেখানে একটি ওয়েবসাইট ডিজাইনের স্টাইল সম্পর্কিত বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। মূলত, সঠিকভাবে একটি ওয়েবসাইট ডিজাইনের দুটি উপায় রয়েছে: অ্যাডাপ্টিভ এবং রেসপন্সিভ ওয়েবসাইট।

  • অ্যাডাপ্টিভ ওয়েবসাইট : অ্যাডাপ্টিভ ওয়েব ডিজাইন একটি ওয়েবসাইটের দুটি বা তার চেয়েও অধিক ভার্সন ব্যবহার করে, যা বিভিন্ন সাইজের ক্ষেত্রে কাস্টমাইজ করা হয়। 
  • রেসপন্সিভ ওয়েবসাইট: সাধারণত রেসপন্সিভ ওয়েবসাইটগুলি পার্সেন্টেজ এর ওপর ভিত্তি করে ব্রেকপয়েন্টের সাথে ফ্লেক্সিবল গ্রিডগুলির সমন্বয়ে প্রতিটি স্ক্রিন সাইজের একটি কাস্টম লুক তৈরী করে থাকে।

এছাড়াও, কিছু মডার্ণ ডিজাইন টুল রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে ডিজাইনকৃত ওয়েবসাইট যেকোন ডিভাইসেই চমৎকার দেখায়। এবং সেইসাথে আপনি কিভাবে কোডিং করবেন তা জানার প্রয়োজন পড়ে না। 

ওয়েব ডিজাইন: A Beginner’s Guide

ওয়েব ডিজাইন ইলিমেন্ট

কোনও ওয়েবসাইট ডিজাইন করার সময় সাইটের লুক এবং পারফরমেন্স দুটোই বিবেচনা করা আবশ্যক। এই ইলিমেন্টগুলির মাধ্যমে কোনো ওয়েবসাইট ডিজাইন করলে তা কোনোরকম পরিমাপ ছাড়াই সাইটের পারফরমেন্স ম্যাক্সিমাইজ করতে সাহায্য করবে। ইলিমেন্টগুলো নিম্নরূপ-

লেআউট

আপনি কীভাবে আপনার কনটেন্ট সাজাবেন তা নির্ভর করবে আপনার সাইটের পারফরমেন্স এবং লুকের ওপর। মূলত, ওয়েবসাইট লেআউটের নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম না থাকলেও কিছু নীতি আপনার অবশ্যই মেনে চলতে হবে। আপনি যদি কোড লিখতে না জানেন তবে, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ডিজাইন টুলগুলোর সীমাবদ্ধতা জানতে আপনার এটি জানা অপরিহার্য। নতুবা, আপনি ডিজাইনের ক্ষেত্রে আটকে যেতে পারেন।

কালার

একটি ওয়েবসাইট ডিজাইনের ক্ষেত্রে সবগুলো ইলিমেন্টের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইলিমেন্ট হচ্ছে কালার। এটা মাথায় রাখা জরুরী যে, কালার সাইকোলজী সম্পর্কে অনেক ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। আপনার সাইটের জন্য কালার নির্বাচন করার ক্ষেত্রে আপনার ব্র্যান্ড এবং যে ম্যাসেজটি আপনি জানানোর চেষ্টা করছেন তার দিকে ফোকাস করুন। এই দুটির সাথে মিল রেখে আপনি কালার নির্বাচন করতে পারেন।

ফন্ট

ওয়েবসাইট ডিজাইনের সময় সহজেই পাঠযোগ্য এমন ধরনের ফন্ট নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে আপনি Canva এর ন্যায় টুলগুলোর সাহায্য নিতে পারেন। এছাড়াও PageCloud এর মতো ওয়েব ডিজাইন টুলের মাধ্যমে কোনো অ্যাপের সাহায্য ছাড়াই ফন্ট সংযুক্ত করতে পারেন।

শেপ

বিগত কয়েক বছর ধরে ওয়েব ডিজাইনে গ্রাফিক্যাল ইলিমেন্টগুলির ব্যবহার বন্ধ হয়ে গেছে। সুন্দর রঙ এবং আকারের সংমিশ্রণটি আপনার সাইটের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য, এমনকি অনেক ধরনের কাজে আপনি ব্যবহার করতে পারেন। কোডের উপর নির্ভর না করে ডিজাইন সম্পূর্ণ করার ক্ষেত্রে আপনি এই ধরনের ইলিমেন্ট ব্যবহার করতে পারেন।

ওয়েব ডিজাইন: A Beginner’s Guide

ওয়েব ডিজাইনে কোন কোন বিষয় গুরুত্বপূর্ণ

চলুন, আমরা ওয়েব ডিজাইনার হওয়ার ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সাইডের কথা চিন্তা করি। শব্দটি বেশ জটিল মনে হচ্ছে? আসলে এগুলোর সম্পর্কে আপনি একবার জানতে পারলে আপনার কাছে বেশ সহজ এবং মজাদার মনে হবে। 

ভিজ্যুয়াল ডিজাইন

ভিজ্যুয়াল ডিজাইন সাধারণত ডিজিটাল প্রোডাক্টগুলোর দিকে ফোকাস করে থাকে। এই ধরনের ডিজাইনের প্রিন্সিপল হচ্ছে ওয়েবসাইটের লুক নির্ধারণ করা। যেমন: টাইফোগ্রাফি, গ্রিড সিস্টেম, কালার থিওরি ইত্যাদি। 

মূলত, ভিজ্যুয়াল ডিজাইন মুড বোর্ড তৈরীর ক্ষেত্রে, ওয়েব ফন্ট এবং কালার প্যালেটগুলির মাধ্যমে এক্সপেরিমেন্টের সুযোগ দিয়ে থাকে। 

ডিজাইন সফ্টওয়্যার

একজন কারিগর হিসেবে আপনার কাজের জন্য সঠিক টুলসের প্রয়োজন। একটি ইন্ডাস্ট্রির মান সম্পর্কে জানা প্রতিটি ক্ষেত্রেই সহায়ক। একটি ওয়েবসাইট ডিজাইনের সময় সরাসরি ওয়েব ব্রাউজারে কাজ করা যায় এমন সব টুলগুলো (অ্যাডোব ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, স্কেচ ইত্যাদি)  প্রায় সমস্ত ডিজাইনার তাদের কাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো যেমন, mockups ক্রিয়েটিং, লোগো ও ইমেজ ডিজাইন এবং মডিফাই করা ইত্যাদির ক্ষেত্রে ব্যবহার করে থাকে। 

আর তাই আপনাকেও এর ব্যবহার সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে।

HTML

একজন ওয়েব ডিজাইনারের কোডিং সম্পর্কেও জানা দরকার। কেননা, বর্তমানে বেশিরভাগ ডিজাইনের কাজের ক্ষেত্রেই কোডিং এর দক্ষতা প্রয়োজন। HTML মানে Hypertext Markup Language, যা কোনো ওয়েব পেইজে কনটেন্ট পুট করার ক্ষেত্রে এবং সেটাকে ‍স্ট্রাকচার দেয়ার জন্য কোডিং ল্যাংগুয়েজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

CSS

CSS অথবা Cascading Style Sheet কে সাধারণভাবে HTML এর পার্টনার বলা যায়। কেননা, এটি একটি কোড যা ব্রাউজারগুলোকে কোনও ওয়েব পেইজের জন্য কীভাবে HTML ফরমেট করতে হয় তা বলে দেয়। এক কথায় এটি সমস্ত টেক্সট এবং কনটেন্টগুলোকে একটি সুন্দর লুক প্রদান করে। 

এর সাহায্যে আপনি কালার অ্যাডজাস্ট, ফন্টের পরিবর্তন বা চমৎকার ব্যাকগ্রাউন্ড যুক্ত করা, তথাটি আরো অনেক কিছু করতে পারেন। 

জাভাস্ক্রিপ্ট

HTML এবং CSS ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার ডিজাইনগুলো কোড আপ করার পাশাপাশি যদি আপনি জাভাস্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে প্রোগ্রামও করতে পারেন তবে আপনার প্রতিযোগিতার বিপক্ষে বিশাল লেগ আপ থাকবে। জাভাস্ক্রিপ্ট আপনাকে আপনার সাইটে স্ট্যাটিক ইলিমেন্টগুলো নিতে এবং সেগুলোকে ইন্টারেক্টিভ করার সুবিধা দিবে।

একজন ভালো ওয়েব ডিজাইনার হতে যা প্রয়োজন

একজন ভালো ওয়েব ডিজাইনার হতে গেলে আপনাকে নিম্নোক্ত এই নয়টি বিষয় শিখে নেওয়া জরুরী-

  • ভিজ্যুয়াল ডিজাইনের বেসিক নিয়মগুলো আয়ত্ত করুন।
  • লে-আউট ডিজাইন শিখুন।
  • কালার-প্রিন্সিপল সম্পর্কে ধারণা নিন।
  • ইন্টারঅ্যাকশন-ডিজাইনের বেসিক নলেজগুলো শিখুন।
  • PS এবং অন্যান্য ওয়েব UI mock-up টুলগুলোর ব্যবহার সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
  • বেসিক কোডিং ল্যাংগুয়েজ (HTML, CSS) বুঝতে হবে।
  • কোম্পানী প্রোডাক্ট এবং ইউজার গ্রুপের সাথে পরিচিত হতে হবে।
  • ফ্রন্ট-এন্ড কোডিং ইডিট সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে কমপক্ষে একটিতে দক্ষতা তৈরী করুন।
  • SEO সম্পর্কে শিখুন।

মূলত, একজন সফল ওয়েব ডিজাইনার হতে গেলে আপনার ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কিত সকল বিষয়ে দক্ষতা থাকা উচিত। সুতরাং, ওয়েব ডিজাইনে আপনার ক্যারিয়ার গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি আপনার নিজেরই নিতে হবে। ভবিষ্যত ক্যারিয়ারের জন্য আপনার স্কিল বাড়ান।

ওয়েব ডিজাইন: A Beginner’s Guide

The post ওয়েব ডিজাইন: A Beginner’s Guide appeared first on Study Tech.

]]>
https://www.studytechbd.com/web-design-a-beginners-guide/feed/ 2
ডেটা এন্ট্রি প্রসেস – বিস্তারিত গাইড [২০২৩] https://www.studytechbd.com/%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d/ https://www.studytechbd.com/%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d/#respond Mon, 12 Oct 2020 03:01:52 +0000 https://www.studytechbd.com/2020/10/12/%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d/ সাধারণত তথ্য সব ধরনের ইন্ডাস্ট্রির একটি প্রয়োজনীয় জিনিস। আর তাই বিশ্বের সব দেশের বিজনেস কোম্পানী এবং অর্গানাইজেশন গুলোতে ডেটা এন্ট্রি সার্ভিসগুলোর হাই-ডিমান্ড রয়েছে। এটি বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির যে কোন কোম্পানীর চাহিদা অনুসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। ঠিক এ কারণেই এটি বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল বিজনেসগুলোর মধ্যে একটি। ডেটা এন্ট্রি কি? সহজ কথায় বলতে গেলে ডেটা এন্ট্রি হলো […]

The post ডেটা এন্ট্রি প্রসেস – বিস্তারিত গাইড [২০২৩] appeared first on Study Tech.

]]>
সাধারণত তথ্য সব ধরনের ইন্ডাস্ট্রির একটি প্রয়োজনীয় জিনিস। আর তাই বিশ্বের সব দেশের বিজনেস কোম্পানী এবং অর্গানাইজেশন গুলোতে ডেটা এন্ট্রি সার্ভিসগুলোর হাই-ডিমান্ড রয়েছে। এটি বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির যে কোন কোম্পানীর চাহিদা অনুসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। ঠিক এ কারণেই এটি বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল বিজনেসগুলোর মধ্যে একটি।

ডেটা এন্ট্রি কি?

সহজ কথায় বলতে গেলে ডেটা এন্ট্রি হলো কোনো কোম্পানীর সিস্টেমে আলফাবেটিক, নিউমেরিক অথবা সিম্বলিক ডেটা ইনপুট করার জন্য ইকুইপমেন্টগুলি অপারেট করা। 

এই কাজ মূলত এমন সব এক্সপার্ট ডেটা এন্ট্রি অপারেটদের দ্বারা করা হয় যাদের ডেটা এন্ট্রি এবং ইন্ডাস্ট্রির বিষয়ে সম্পূণ্য জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা রয়েছে। কারণ বেশিরভাগ কোম্পানীগুলো মেডিকেল, ফিন্যান্সিয়াল, রিটেল, লিগ্যাল, এবং মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রি থেকে ডেটা এন্ট্রি ওয়ার্কের আউটসোর্স করে থাকে। 

সাধারণত আউসোর্সিং এর কাজে নিয়োজিত কোম্পানীগুলো তাদের কর্মীদের ক্লান্তিকর কাজের সময় থেকে মুক্ত করে এবং সেইসাথে অধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোতে ফোকাস করতে এবং আরো প্রোডাক্টিভ হতে সাহায্য করে।

ডেটা এন্ট্রি স্পেশালিস্ট

যেহেতু বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে ডেটা এন্টি সার্ভিস এর চাহিদা ব্যাপক, আর তাই সে অনুসারে প্রত্যেক ডেটা এন্ট্রি স্পেশালিস্টদের প্রত্যেকের দক্ষতাও পৃথক হয়ে থাকে। কারো ইংরেজিতে ভালো রিডিং এবং রাইটিং এর দক্ষতা রয়েছে। কারো টাইটিং স্পীড প্রতি মিনিটে ২০ থেকে ৩০ ওয়ার্ড (WPM)। আবার কেউ টেকনিক্যাল স্কিল এবং ভালো টাইপিং স্পীড অর্জনের কিছু বছরের অভিজ্ঞতা এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

নিচে কিছু প্রকারের ডেটা এন্ট্রি সার্ভিস সম্পর্কে আলোচনা করা হলো যা আপনার বিজনেস ইনক্রেজ করতে আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

ম্যানুয়াল ডেটা এন্ট্রি

সাধারণত ম্যানুয়ালি তৈরী করা ডকুমেন্ট গুলোকে ডিজিটাল প্ল্যাফর্মে কনভার্ট করার প্রক্রিয়াকে ম্যানুয়াল ডেটা এন্ট্রি বলা হয়। এটি ডেটা এন্ট্রির সবচেয়ে কমন এবং বেসিক কাজ। 

প্লেইন ডেটা এন্ট্রি

সাধারণভাবে পিডিএফ ডকুমেন্ট পড়া এবং এটিকে ওয়ার্ড ডকুমেন্টে টাইপ করা প্লেইন ডেটা এন্ট্রির অর্ন্তভূক্ত।

ওয়ার্ড প্রসেসর অথবা টাইপিস্ট

এটি করতে মূলত লেটার, চার্ট, গ্রাফ, টেবিল ক্রিয়েশন, রিপোর্ট এবং মেইলিং লেবেলের ওপর দক্ষতা থাকা গুরুত্বপূর্ণ। টেকনিক্যাল সাইডে এই ধরনের কাজ বেশি হওয়ায় বেশিরভাগ এই বিষয়গুলোর ওপর প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণ নিতে হয়। 

ডেটা ক্লিনিং

এর মাধ্যমে ডেটা এন্ট্রি স্পেশালিস্টরা ওয়ার্ড ফাইল বা এক্সেল স্প্রেডশিট যেমন ডেটাবেস থেকে ভুল তথ্য মুছে ফেলা বা সংশোধন করতে পারে।

অন্যান্য বেসিক টাইপিং জব

এই কাজ গুলোর ক্ষেত্রে মূলত ডেটা সহ এক্সেল স্প্রেডশিট সেলগুলো ফিল করার মতো দক্ষতা থাকলেই চলবে। কেননা, অন্যান্য বেসিক টাইপিং জবগুলোতে খুব বেশি টেকনিক্যাল স্কিলের প্রয়োজন পড়ে না।

অনলাইন ডেটা এন্ট্রি

যে কোনও ধরনের ডেটা এন্ট্রি যেমন রিসোর্স ফাইল সফটকপি ফরমেটে অথবা অনলাইন পোর্টাল বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করা এগলো মূলত অনলাইন ডেটা এন্ট্রি এর অধীনেই করা হয়। 

অনলাইন ফর্ম ফিলিং

অনলাইনে ফর্ম পূরণ এর কাজটি সাধারণত একটু ঝামেলাজনক হয়ে থাকে। কেননা এক্ষেত্রে বিশাল পরিমাণ তথ্য দেওয়া হয় যা অনলাইন ফর্মটিতে ইন্টার করতে হয়। কখনও কখনও আবার এই তথ্যও দেওয়া হয় না, এটি ডেটা এন্ট্রি স্পেশালিস্টকে ইন্টারনেট সার্ফিং এর মাধ্যমে খুঁজে নিতে হয়।

অনলাইন সার্ভে

বিভিন্ন কোম্পানী গুলো তাদের নির্দিষ্ট প্রোডাক্টের ফিডব্যাক পাওয়ার ক্ষেত্রে অনলাইন সার্ভে জবগুলি ব্যবহার করে থাকে। যা তাদের কনজুমারদের চাহিদা অনুসারে সেরা প্রোডাক্টগুলি ইম্প্রুভ বা ডিজাইন করার ক্ষেত্রে সাহায্য করে থাকে।

অনলাইন ডেটা ক্যাপচারিং জব

এই কাজটি মূলত বিভিন্ন ধরনের ইন্টারনেট পাবলিকেশনস্ যেমন: ই-ম্যাগাজিন, ই-বুক, এবং অনলাইন কনটেন্টের অন্যান্য ফর্ম থেকে ডেটা ক্যাপচার করা।

ইমেইল প্রসেসিং

ইমেইল প্রসেসিং হচ্ছে সাধারণত ইমেইল প্রসেস করা, পড়া, কনটেন্ট বোঝা এবং লিস্ট তৈরী করা অথবা এটি একটি এক্সেল শীটে লিপিবদ্ধ করা। 

আপডেটিং ডেটাবেস

ডেটাবেস বলতে মূলত বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির নাম, ফোন নম্বর, ইমেইল আইডি, ঠিকানা ইত্যাদি বোঝানো হয়ে থাকে। ডেটা এন্ট্রি স্পেশালিস্টরা এগুলো আপডেট করতে বা এগুলো নতুনভাবে তৈরী করতে সাহায্য করে থাকে।

মাইক্রো জবস

মাইক্রো জবস মূলত উপরিউল্লিখিত অন্যান্য ডেটা এন্ট্রি জবগুলোর তুলনায় নতুন।

ক্যাপচা এন্ট্রি

ডাটা এন্ট্রি জবে নিয়োজিত স্পেশালিস্টরা দিনে কয়েকশ ক্যাপচা সল্ভ করতে পারে। সাধারণত ক্যাপচা হ’ল একটি ক্ষেত্র পূরণের জন্য ব্যবহৃত টেক্সট, নাম্বার অথবা আলফানিউমেরিক ডেটাযুক্ত চিত্রবিশেষ।

কপি এ্যান্ড পেস্ট

এটি মূলত কোনো ফাইল থেকে ডেটা কপি করে ওয়ার্ড ডকুমেন্ট অথবা এক্সেল স্প্রেডশীটে পেস্ট করা। এই ক্ষেত্রে টাইপিং স্পীডের প্রয়োজন হয় না, তবে কপি এবং পেস্টের জন্য ইংরেজীতে ভালো দক্ষতা থাকতে হবে।

ক্যাপশনিং

নিউজ চ্যানেলের মতো বেশিরভাগ মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রি গুলোর জন্য ক্যাপশনিং অতীব গুরুত্বপূর্ণ। একটি ইমেজ অথবা নিউজ হেডলাইনের হেডিংস এবং ক্যাপশন লেখার ক্ষেত্রে এটি অসাধারণ একটি কাজ। এটি লেখার ক্ষেত্রে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিগুলোর যথেষ্ট জ্ঞান এবং লেখার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

ডেটা এন্ট্রি প্রসেস – বিস্তারিত গাইড

ডেটা ফরমেটিং

যদিও ডেটা ফরমেটিংয়ের ক্ষেত্রে টাইপিংয়ের খুব কমই প্রয়োজন পড়ে, তারপরও এটি সাধারণত ডেটা এন্ট্রি জব হিসেবে  বিবেচিত। মূলত ডেটা ফরমেটিং জবগুলো ইংরেজী এবং ব্যাকরণের জ্ঞান সম্পর্কিত।

রি-ফরমেটিং এ্যান্ড কারেকশন

এই ধরনের কাজের ক্ষেত্রে ওয়ার্ড ডকুমেন্ট ফরমেটিংয়ের প্রতিটি নিয়ম যেমন:প্যারাগ্রাফ, ইনডেনশন এবং ফন্টগুলি সারিবদ্ধ করা এবং নাম, ইমেইল আইডি, ফোন নাম্বার ইত্যাদির সাহায্যে একটি দীর্ঘ ফর্ম ফর্ম্যাট করা ইত্যাদি বিষয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতা থাকা দরকার।

ফরমেটিং এ্যান্ড এডিটিং

বানানের এবং ব্যাকরণগত ত্রুটিগুলি সংশোধন করাই হচ্ছে এই জবের মূল কাজ। আর তাই এই জবের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ডকুমেন্ট রি-ফরমেট করার জন্য ভালো এডিটিং স্কিল থাকতে হবে এবং পাশাপাশি ইংরেজিতে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে।

কনভার্টিং ফাইলস

এই ধরনের ডেটা এন্ট্রি সার্ভিসগুলিতে সাধারণত ইমেজ অথবা অডিও ফাইলগুলোকে ওয়ার্ড ডকুমেন্টে কনভার্ট করা হয়।

ইমেজ টু টেক্সট ডেটা এন্ট্রি

বেশিরভাগ ইমেজ টু টেক্সট ডেটা এন্ট্রি জবগুলোতে মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিগুলো থেকে আসে। কেননা এর মধ্যে এমন কিছু মেডিকেল পরিভাষা বিদ্যমান যা মানুষ খুব কমই বুঝতে পারে। এটি সাধারণত কোনও ওয়ার্ড ডকুমেন্টে লিখিত অনুচ্ছেদযুক্ত স্ক্রিনশটের আকারে আসে।

অডিও টু টেক্সট 

একটি অডিও ফাইল শোনার ক্ষেত্রে এবং এটিকে টেক্সট ফরমেটে রি-প্রোডিউস করার জন্য অথবা প্রতিটি সিঙ্গেল ওয়ার্ড বোঝার জন্য ইংরেজী ভাষার দক্ষতা প্রয়োজন।

ট্রান্সক্রিপশন

ট্রান্সক্রিবিং ডেটা এন্ট্রি জবের একটি কঠিন ফর্ম। এর কাজ হলো রেকর্ডেড শোনার সময় ডেটা টাইপ করা এবং প্রয়োজনীয় রিপোর্ট ও ডকুমেন্টগুলোতে ডেটা কপি করা। গ্রামার সম্পর্কে ভাল ধারণা এবং ভাল টাইপিং স্পীড এই কাজের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রান্সক্রিপশনিস্টদের সাধারণত মেডিকেল ফার্ম, লিগ্যাল ফার্মগুলোতে চাহিদা থাকে। তবে এক্ষেত্রেও আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।

মেডিকেল  ট্রান্সক্রিপশনিস্ট

মেডিকেল ট্রান্সক্রিপশনিস্টরা সবচেয়ে কমন। এই কাজের ক্ষেত্রে উন্নত মেডিকেল টার্মিনোলজীর সাথে পরিচিত হওয়া আবশ্যক এবং পাশাপাশি ভালো শ্রবণ ও শর্টহ্যান্ড রাইটিং স্কিল থাকতে হবে। ডেটা এন্ট্রি জবের অন্য সমস্ত ফর্মের মধ্যে এই ধরনের জবের মূল্য সবচেয়ে বেশি।

ডেটা এন্ট্রি প্রসেস – বিস্তারিত গাইড

ডাটা এন্ট্রি কীয়ার

একজন ডেটা এন্ট্রি কীয়ার এর ফর্মাল ট্রেইনিং এর কোনো প্রয়োজন হয় না। কেননা ইমপ্লয়ার তাদেরকে নিয়মিত ইন্সট্রাকশন সরবরাহ করে। ডেটা এন্ট্রি কীয়ার এর কাজ হ’ল কম্পিউটার সফ্টওয়্যার এ লাইসেন্স, চেক ইত্যাদি থেকে ডেটা ইন্টার করা। এবং ডেটা ইন্টারিং এর পর মিসিং ডেটা বা ভুলগুলো চেক করা হয়। 

ডেটা এন্ট্রি কীয়ার এর কাজগুলি মূলত অনলাইনের পরিবর্তে অফলাইনে হয়।

প্রোডাক্ট ক্যাটালগ ডেটা এন্ট্রি

কিছু কোম্পানীকে তাদের পণ্যের ডিটেইলস রেকর্ড করে রাখতে হয়। এক্ষেত্রে প্রোডাক্টের বিবরণসহ একটি ফর্ম্যাটে লিস্ট করতে হয়।

পে-রোল ডেটা এন্ট্রি অপারেটর

সাধারণত পে-রোল ডেটা এন্ট্রি সার্ভিসগুলি কিছু কোম্পানীকে সিস্টেমেটিক পদ্ধতি অনুসারে তাদের অ্যাকাউন্টিং এর কাজ গুলো রি-চেক এবং রেকর্ড করতে সাহায্য করে। এটি যে কোনও পছন্দসই ফরম্যাটে সমস্ত অ্যাকাউন্ট ক্লিয়ার করতে এবং অর্ডার পেতে সহায়তা করে।

ওয়েব-বেসড সিস্টেমে ডেটা ইন্টার করা

এই ধরনের ডেটা এন্ট্রি জবের ক্ষেত্রে সাধারণত লিগ্যাল ডিপার্টমেন্ট অথবা ইন্সুরেন্স ক্লেইম সংক্রান্ত ডকুমেন্টগুলো পড়া এবং এটি একটি ওয়ার্ড ডকুমেন্ট বা এক্সেল স্প্রেডশীটে লেখা হয়। পাশাপাশি এটি অটোমোবাইল রেজিস্টেশন নাম্বার, মালিকের নাম, কনট্যাক্ট ডিটেইলস ইত্যাদির ক্ষেত্রেও করা হয়ে থাকে।

ডেটা এন্ট্রি ক্লার্কস

সাধারণত ডেটা এন্ট্রি ক্লার্কের কাজগুলি ডেটা এন্ট্রি কীয়ার এর মতোই। তারা খুব দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে একটি ডাটাবেসে ইনফরমেশন ইন্টার করে থাকে। এক্ষেত্রে সামান্য পার্থক্য আইডেন্টিফাই করার দক্ষতাও থাকা প্রয়োজন।

হসপিটালস

এই টাস্কটি মূলত পেশেন্ট নোট, হসপিটাল রেকর্ড, অ্যাক্সিডেন্ট রেকর্ড ইত্যাদির ডিটেইলসগুলো একটি এক্সেল স্প্রেডশীট অথবা LAN এ বিদ্যমান একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার এ ইন্টার করে থাকে।

মিউনিসিপল

এই কাজটি হলো বার্থ রেকর্ড, লিগ্যাল ডকুমেন্ট, টাউন রেকর্ড ইত্যাদি এর মতো মিউনিসিপল রেকর্ডগুলির ডিটেইলস ইন্টার করা।

রাইটিং জব

রাইটিং জব মূলত সাধারণ ডেটা এন্ট্রি জব এর তুলনায় অ্যাডভান্সড, তার কারণ এটি আপনি ব্লাইন্ডলি টাইপ করতে পারবেন না। 

কনটেন্ট রাইটিং

কনটেন্ট রাইটিং হচ্ছে বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের আর্টিকেল লিখে সেগুলোকে ব্লগার অথবা কোনো সাইটের ওনারের কাছে তা সাবমিট করা।

প্রূফেডিং এ্যান্ড কপিরাইটিং

প্রুফেডিং গ্র্যামেটিক্যাল ইরোর এবং ফরমেট সংশোধন করে। অপরদিকে কপিরাইটিং কোনও বিজ্ঞাপনের জন্য কনটেন্ট ক্রিয়েট এর কাজ করে।

দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিগুলো ডাটা এন্ট্রি এর আউটসোর্স করে আসছে। এটি মূলত তাদের কাজকে ত্বরান্বিত করতে এবং তাদের কর্মীদের প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর ক্ষেত্রে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। ডেটা এন্ট্রি দীর্ঘদিন যাবৎ দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছে। কেননা, এটি যে কোন পরিবর্তন মোকাবিলা করতে এবং যে কোন ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা পূরণে সক্ষম।

ডেটা এন্ট্রি প্রসেস – বিস্তারিত গাইড

The post ডেটা এন্ট্রি প্রসেস – বিস্তারিত গাইড [২০২৩] appeared first on Study Tech.

]]>
https://www.studytechbd.com/%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d/feed/ 0
গ্রাফিক ডিজাইন: The Ultimate Guide https://www.studytechbd.com/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8-the-ultimate-guide/ https://www.studytechbd.com/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8-the-ultimate-guide/#respond Fri, 09 Oct 2020 07:15:18 +0000 https://www.studytechbd.com/2020/10/09/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8-the-ultimate-guide/ আপনি যখন গ্রাফিক ডিজাইনের কথা ভাবেন, কখনো আর্টিস্টিক অ্যাডভার্টাইজমেন্টগুলোর কথা চিন্তা করে দেখেছেন কি? ওয়েবসাইটে নজরকাড়া গ্রাফিক্স? ম্যাগাজিনগুলোতে কী অত্যাশ্চর্যজনক ভাবে সাজানো থাকে ! পোস্টার, ইনফোগ্রাফিক্স, বুক কভার, প্রোডাক্ট লেবেল, লোগো, বিজনেস কার্ড, সাইনস, ওয়েবসাইট লেআউট, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, সফ্টওয়্যার ইন্টারফেস এর মতো চমৎকার সব উদাহরণগুলি সাধারণত গ্রাফিক্স ডিজাইনের অন্তর্ভূক্ত। এই উদাহরণগুলি গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে জানার একটি […]

The post গ্রাফিক ডিজাইন: The Ultimate Guide appeared first on Study Tech.

]]>
আপনি যখন গ্রাফিক ডিজাইনের কথা ভাবেন, কখনো আর্টিস্টিক অ্যাডভার্টাইজমেন্টগুলোর কথা চিন্তা করে দেখেছেন কি? ওয়েবসাইটে নজরকাড়া গ্রাফিক্স? ম্যাগাজিনগুলোতে কী অত্যাশ্চর্যজনক ভাবে সাজানো থাকে !

পোস্টার, ইনফোগ্রাফিক্স, বুক কভার, প্রোডাক্ট লেবেল, লোগো, বিজনেস কার্ড, সাইনস, ওয়েবসাইট লেআউট, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, সফ্টওয়্যার ইন্টারফেস এর মতো চমৎকার সব উদাহরণগুলি সাধারণত গ্রাফিক্স ডিজাইনের অন্তর্ভূক্ত। এই উদাহরণগুলি গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে জানার একটি ভালো শুরু, তবে পুরোপরি নয়।

গ্রাফিক ডিজাইনের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ডিটেইলস এবং জটিলতাগুলো শুধমাত্র একটি আর্টিকেলের মাধ্যমে জানা সম্ভব না হলেও, এই হাই-লেভেল ওভারভিউ আপনাকে ক্রিয়েটিভ ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রটি আরও ভালভাবে বুঝতে সহায়তা করবে। আপনি যদি একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনার হতে আগ্রহী হন, তাহলে শুরুতেই আপনার এর বেসিক ক্ষেত্রগুলি জানা আবশ্যক।

গ্রাফিক ডিজাইন কী?

মূলত, গ্রাফিক ডিজাইন এমন একটি নৈপুণ্য যেখানে প্রফেশনালরা ম্যাসেজ কমিউনিকেট এর ক্ষেত্রে ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট ক্রিয়েট করে থাকে। এই ভিজ্যুয়াল ক্ল্যাসিফিকেশন এবং পেইজ লে-আউট টেকনিক প্রয়োগ করে ডিজাইনাররা ইউজারদের নির্দিষ্ট চাহিদা মেটাতে টাইফোগ্রাফি এবং পিকচার ব্যবহার করে থাকে। পাশাপাশি ইউজার এক্সপেরিয়েন্স অপটিমাইজ করতে ইন্টারেক্টিভ ডিজাইনের ইলিমেন্টগুলো ডিসপ্লে করার দিকে ফোকাস করে থাকে।

গ্রাফিক ডিজাইন হচ্ছে মূলত একটি শিল্প, পরিকল্পনা এবং উদ্ভাবনী চিন্তা চর্চা, এবং ভিজ্যুয়াল ও টেক্সচুয়াল কনটেন্টের অভিজ্ঞতা। অন্যভাবে বলতে গেলে গ্রাফিক ডিজাইন সাধারণত ভিজ্যুয়াল উপায়ে নির্দিষ্ট আইডিয়া অথবা ম্যাসেজগুলো কমিউনিকেট করে থাকে। এই ভিজ্যুয়ালগুলি একটি বিজনেস লোগোর মতো সাধারণ, আবার কোনো ওয়েবসাইটের পেইজ লে-আউটের মতোই জটিল হতে পারে।

এটি গ্রাফিক্যাল ও টেক্সচুয়াল ইলিমেন্টগুলিকে গ্রহণ করে সেগুলিকে আবার বিভিন্ন ধরনের মিডিয়াতে প্রয়োগ করে। একজন প্রোডিউসারকে তার গ্রাহকের সাথে কানেক্ট হতে সাহায্য করে। এছাড়াও প্রজেক্ট, ইভেন্ট, প্রচার বা প্রোডাক্টস এর বার্তা বহন করে থাকে। বিভিন্ন কোম্পানীগুলো বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের প্রোডাক্টগুলো সেল এবং প্রমোট করতে, ওয়েবসাইটের দ্বারা ইনফোগ্রাফিক্সের মাধ্যমে জটিল তথ্যগুলো বহন করার ক্ষেত্রে গ্রাফিক ডিজাইন ব্যবহার করে। আবার কিছু বিজনেসগুলো ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে একটি পরিচিতি বিকাশের ক্ষেত্রেও গ্রাফিক ডিজাইন ব্যবহার করে থাকে।

তবে এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, গ্রাফিক ডিজাইন প্রজেক্টগুলোর বিজ্ঞাপন এবং লোগোর ন্যায় কিছু বাণিজ্যিক লক্ষ্য আছে। এটি অন্যান্য প্রসঙ্গেও ব্যবহৃত হয় এবং গ্রাফিক ডিজাইনের কাজগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শিল্পীসুলভ বহিঃপ্রকাশের উপায় হিসেবে তৈরী হয়। 

গ্রাফিক ডিজাইন: The Ultimate Guide

গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কিত বেসিক ধারণা

গ্রাফিক ডিজাইনের অর্থ আরও ভালভাবে বোঝার জন্য এর ডিজাইন তৈরীর ইলিমেন্ট এবং প্রিন্সিপল সম্পর্কে সচেতন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। দর্শনের ক্ষেত্রে আকর্ষণীয় এবং প্রভাবশালীরূপে তৈরীর জন্য ইলিমেন্টগলি একে অপরের সাথে আষ্ঠে পৃষ্ঠে জড়িত। 

এই ইলিমেন্টগুলির মধ্যে রয়েছে:

  1. কালার
  2. ফর্ম
  3. লাইন
  4. শেপ
  5. সাইজ
  6. স্পেস
  7. টেক্সচার ইত্যাদি

সাধারণত গ্রাফিক ডিজাইনাররাও ডিজাইনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নীতিগুলি মেনে চলেন। এই নীতিগুলি এমন কিছু গাইডলাইনের সেট যা কোনো ডিজাইনকে একটি কার্যকরী গঠন অর্জনে সহায়তা করে।

গ্রাফিক ডিজাইনের এই প্রিন্সিপলগুলি নিম্নরূপ:

  1. ব্যালেন্স
  2. পার্থক্য
  3. অনুপাত
  4. মুভমেন্ট
  5. জোর
  6. ছন্দ

গ্রাফিক ডিজাইনের ধরণ

মূলত, গ্রাফিক ডিজাইনের একক কোনো অর্থ নেই।  গ্রাফিক ডিজাইন প্রিন্ট এবং ওয়েব ডিজাইন থেকে শুরু করে অ্যানিমেশন এবং মোশন গ্রাফিক্স পর্যন্ত অনেকগুলি ক্ষেত্র এবং বিশেষায়িত সমন্বয়ে গঠিত। গ্রাফিক ডিজাইন  আগ্রহী ব্যাক্তিদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা অফার করে থাকে।

আজ থেকে ত্রিশ বছর আগেও গ্রাফিক ডিজাইনের উদাহরণ হিসেবে সবাই ম্যাগাজিন, মুভি পোস্টার এবং বিজ্ঞাপনগুলির দিকে ফোকাস করতো। তবে, বর্তমানে আমরা ডিজিটাল যুগে বসবাস করছি। আর তাই কিছু নতুন ধরনের গ্রাফিক ডিজাইনের সাথে আমরা পরিচিত হয়েছি। 

বর্তমান এই অত্যাধুনিক যূগে প্রযুক্তির অগ্রগতি থেকে উদ্ভুত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রাফিক ডিজাইনের উদাহরণ হলো:

  • ওয়েবসাইট ডিজাইন: সাধারণত ইউজারদের জন্য আকর্ষণীয় এবং প্রত্যক্ষজনিত  ওয়েব পেজ তৈরী করা ওয়েবসাইট ডিজাইনের অর্ন্তভূক্ত। এছাড়াও অভারওল লে-আউট, কালার-ডিজাইন, এবং নেভিগেশনও এর অর্ন্তভূক্ত।
  • ইউজার এক্সপেরিয়েন্স (UX) ডিজাইন: এটি একটি ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে সহজ এবং উপযুক্ত কি না তা নিশ্চিত করার দিকে ফোকাস করে থাকে। এই ধরনের ডিজাইনাররা সাধারণত মান, ব্যবহারযোগ্যতা, গ্রহণযোগ্যতা এবং কমনীয়তার উপর অধিক জোর দিয়ে থাকে।
  • মোশন গ্রাফিক ডিজাইন: মোশন গ্রাফিক ডিজাইন বা অ্যানিমেশন সাধারণত স্পেশাল ইফেক্ট, টিভি শো, ভিডিও গেম এবং মুভির মাধ্যমে ভিজ্যুয়াল ইলিমেন্টগুলিকে বাস্তব রূপ প্রদান করে।

গ্রাফিক ডিজাইন: The Ultimate Guide

গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ

প্রযুক্তির অগ্রগতিতে নতুন ধরণের গ্রাফিক ডিজাইন প্রবর্তনের সাথে সাথে এর কাজগুলিরও আবির্ভাব ঘটেছে। গ্রাফিক ডিজাইনের এই বিবর্তন পুরো যাত্রাপথকে পরিবর্তন করেছে। বর্তমানে প্রিন্ট পাবলিশারদের জন্য কাজ করে এমন সব ট্রেডিশনাল গ্রাফিক ডিজাইনারদের চাহিদা যথেষ্ট পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে। 

তবে এই চাহিদার বেশিরভাগ অংশই বিজনেসের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন অর্গানাইজেশনগুলি তাদের ডিজিটাল প্রেজেন্স বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডিজিটাল গ্রাফিক্স এবং চিত্রাবলীর প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়েছে। চাহিদা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে কিছু সাধারণ গ্রাফিক ডিজাইনের কাজের শিরোনামগুলো নিচে দেওয়া হলো। যেমন:

  • গ্রাফিক ডিজাইনার
  • ইউজার এক্সপেরিয়েন্স (UX) ডিজাইনার
  • ওয়েব ডিজাইনার
  • আর্ট ডিরেক্টর
  • ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর ইত্যাদি

সুতরাং, বলা যায় শুধমাত্র একবার যথাযথ নলেজ এবং ট্রেইনিংপ্রাপ্ত হওয়ার পরেই আপনি বেশ কয়েক ধরনের গ্রাফিক ডিজাইনের জবের বিকল্প পাচ্ছেন। আর তাই, আপনার আগ্রহ এবং পার্সোনাল স্কিলের মাধ্যমে আপনার ক্যারিয়ারকে গড়ে তুলুন।

গ্রাফিক ডিজাইন: The Ultimate Guide

পপুলার গ্রাফিক ডিজাইন টুলস

 ইতোমধ্যে আপনি জেনে গেছেন যে গ্রাফিক ডিজাইনে কী ধরনের কাজ এবং বিশেষত্ব রয়েছে। আর তাই এই ধরনের কাজগুলিকে সম্পাদন করতে সহায়তা করতে পারে এমন সব টুলস সম্পর্কেও আপনার জেনে থাকাটা আবশ্যক। বর্তমানে সবচেয়ে বেসিক এবং কম ব্যয়বহুল বিশিষ্ট একটি টুল হচ্ছে – স্কেচবুক, যার ব্যবহার প্রায় অধিকাংশ গ্রাফিক ডিজাইনাররাই করে থাকেন। 

কম্পিউটার এবং ডিজাইন সফটওয়্যার আজকের ডিজিটাল পরিবেশের একটি অপরিহার্য অংশ। যদিও আপনি তা প্রিন্টের ডিজাইন করে থাকেন। আপনার কোন ধরনের কম্পিউটার প্রয়োজন তা কেবল আপনার পছন্দের ওপর ভিত্তি করবে। কিন্তু, যখন সফ্টওয়্যার এর কথা আসে তখন ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর এবং ইনডিজাইন এর মতো অ্যাডোব প্রোডাক্টগুলোই গ্রাফিক ডিজাইন ওয়ার্ল্ডের মূল ভিত্তি। 

যদি আপনি কেবলমাত্র শুরু করে থাকেন এবং ব্যয়বহুল প্রোডাক্টগুলো ব্যবহার করতে না চান, তবে GIMP এর ন্যায় ফ্রি ওপেন সোর্স সফ্টওয়্যার আপনাকে বেসিক থেকে শুরু করতে সাহায্য করতে পারে। সর্বোপরি, একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হল ধারণা এবং অনুপ্রেরণা। 

গ্রাফিক ডিজাইনাররা তাদের চারপাশের বিশ্ব থেকে অনুপ্রেরণা অর্জন করে। সেখানে আপনি যদি এ ব্যাপারে উদ্বিগ্ন থাকেন, তবে আপনি যথেষ্ট ক্রিয়েটিভ নন। বাইরের পরিবেশ দেখুন, আপনার সহকর্মীদের থেকে ধারণা নিন অথবা ইন্টারনেট থেকে আইডিয়া খুঁজুন। এমন প্রচুর অনুপ্রেরণামূলক গ্রাফিক ডিজাইন ব্লগ রয়েছে যা আপনার ক্রিয়েটিভিটি তৈরী করতে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। 

গ্রাফিক ডিজাইনে আপনার ভবিষ্যত তৈরি করুন

মূলত, গ্রাফিক ডিজাইনের ক্ষেত্রে একক কোনো সংজ্ঞা নেই। বিভিন্ন ধরনের বিজনেস প্রব্লেম সমাধান করার অনুপ্রেরণা জাগাতে  গ্রাফিক ডিজাইন ব্যবহারের অসংখ্য উপায় রয়েছে। আপনার এবং আপনার ভবিষ্যত ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে গ্রাফিক ডিজাইনের অর্থ ঠিক কি তা নির্ধারন করা কেবলমাত্র আপনার ওপরই নির্ভর করে। 

সুতরাং, সঠিক সিদ্ধান্তের সাথে শুরু করুন এবং গ্রাফিক ডিজাইনে আপনার ভবিষ্যত গড়ুন।

The post গ্রাফিক ডিজাইন: The Ultimate Guide appeared first on Study Tech.

]]>
https://www.studytechbd.com/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8-the-ultimate-guide/feed/ 0
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং: A Simple Definition https://www.studytechbd.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82/ https://www.studytechbd.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82/#comments Wed, 07 Oct 2020 12:12:44 +0000 https://www.studytechbd.com/2020/10/07/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82/ সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কী? আপনার ব্র্যান্ড তৈরী, সেলস বৃদ্ধি এবং ওয়েবসাইট ট্র্যাফিক ড্রাইভের ক্ষেত্রে দর্শকদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলিই মূলত সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং হিসেবে পরিচিত। সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে দুর্দান্ত কনটেন্ট পাবলিশড করা, ফলোয়ার ইনগেজিং, রেজাল্ট অ্যানালাইজিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাডভার্টাইজিং সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়া মাকেটিং এর অন্তর্ভূক্ত।  বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় […]

The post সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং: A Simple Definition appeared first on Study Tech.

]]>
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কী?

আপনার ব্র্যান্ড তৈরী, সেলস বৃদ্ধি এবং ওয়েবসাইট ট্র্যাফিক ড্রাইভের ক্ষেত্রে দর্শকদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলিই মূলত সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং হিসেবে পরিচিত। সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে দুর্দান্ত কনটেন্ট পাবলিশড করা, ফলোয়ার ইনগেজিং, রেজাল্ট অ্যানালাইজিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাডভার্টাইজিং সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়া মাকেটিং এর অন্তর্ভূক্ত। 

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি হলো ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, লিংকডইন, পিন্টারেস্ট এবং স্ন্যাপচ্যাট। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট টুল রয়েছে যেগুলো উপরোক্ত  সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির মাধ্যমে বর্তমান বিজনেসগুলিকে সর্বাধিক সুবিধা অর্জন করতে সহায়তা করে। 

উদাহরণস্বরূপ, “বাফার” হচ্ছে সেই সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট টুলগুলির মধ্যে একটি প্ল্যাটফর্ম, যা আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মাধ্যমে সাফল্য অর্জনে সহায়তা করতে পারে। 

আপনি যদি আপনার নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরী করতে অথবা বিজনেস গ্রো করতে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে চান, তাহলে আপনার উচিত সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কে আরও বিস্তারিত ভালোভাবে জেনে নেওয়া। 

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর পাঁচটি মূল বিষয়

1. কৌশল

সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু পাবলিশড করার আগে আপনার প্রথম পদক্ষেপ হলো সোশ্যাল মিডিয়া কৌশল সম্পর্কে চিন্তা করা।

আপনার লক্ষ্য কী? সামাজিক মিডিয়া কীভাবে আপনার ব্যবসায়ের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে পারে ?

কিছু বিজনেস তাদের ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়াতে সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার করে থাকে, আবার কিছু বিজনেস এটি ব্যবহার করে তাদের ওয়েবসাইট ট্র্যাফিক এবং সেলস পরিচালনার জন্য। সোশ্যাল মিডিয়া আপনার ব্র্যান্ডের চারপাশে ইনগেজমেন্ট জেনারেট করতে,কমিউনিটি ক্রিয়েট এবং আপনার কাস্টমারদের জন্য কাস্টমার সাপোর্ট চ্যানেল হিসেবে সার্ভ করতে সহায়তা করতে পারে।

আপনি কোন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে ফোকাস করতে চান?

উপরে উল্লিখিত সেরা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি হ’ল ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, লিংকডইন, পিনট্রেস্ট, ইউটিউব এবং স্ন্যাপচ্যাট। এছাড়াও ছোট এবং আপকামিং প্ল্যাটফর্মগুলির মধ্যে রয়েছে টাম্বলার, টিক-টক, অ্যাঙ্কর, ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ওয়েচ্যাট ইত্যাদি। শুরু করার ক্ষেত্রে এমন প্ল্যাটফর্ম বেছে নিন যেখানে অন্যান্য প্ল্যাটফর্মগুলির তুলনায় টার্গেট অডিয়েন্স বেশি। 

কী ধরনের কনটেন্ট শেয়ার করতে চান?

কোন ধরনের কনটেন্ট আপনার সেরা টার্গেট অডিয়েন্সকে আকর্ষণ করতে পারে? চিত্র,ভিডিও অথবা লিঙ্ক? এটি কি শিক্ষামূলক অথবা বিনোদনমূলক? শুরু করার জন্য সেরা উপায় হচ্ছে মার্কেটিং পার্সোনালিটি তৈরী করা, যা আপনাকে এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে সহায়তা করবে। 

আরো সুবিধা হলো আপনি আপনার কনটেন্ট এর পারফর্ম অনুযায়ী আপনার কৌশলকে পরিবর্তন করতে পারবেন। 

2. প্ল্যানিং অ্যান্ড পাবলিশিং

অপেক্ষাকৃত ছোট বিজনেসের ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়াতে ধারাবাহিক উপস্থিতি দিয়ে শুরু হয়। বর্তমান সময়ে ছোট এবং মাঝারি বিজনেসগুলির ৮১% সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর নির্ভরশীল। আর তাই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে আপনার উপস্থিতি বাড়িয়ে তুলুন এবং আপনার ফিউচার কাস্টমারদের আপনার ব্র্যান্ডের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ দিন।

সোশ্যাল মিডিয়া পাবলিশিং সাধারণত বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে ব্লগ পোস্ট, ইমেজ অথবা ভিডিও শেয়ার করার মতোই সহজ। মূলত আপনার ফেইসবুক প্রোফাইল শেয়ার করার মতো। সুতরাং, অনায়াসে কনটেন্ট ক্রিয়েট এবং পাবলিশিং এর পরিকল্পনা করুন। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার সর্বাধিক উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য অডিয়েন্সের পছন্দ অনুযায়ী সঠিক সময় এবং ফ্রিকোয়েন্সিতে ভালোমানের কনটেন্ট পাবলিশড করুন। 

বর্তমানে বাফার পাবলিশের মতো বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া শিডিউলিং টুল রয়েছে যেগুলো আপনার পছন্দসই সময়ে অটোমেটিক্যালে কনটেন্ট পাবলিশড করতে পারে। 

3. লিসেনিং অ্যান্ড ইনগেজমেন্ট

আপনার বিজনেস এবং সোশ্যাল মিডিয়া ফলোয়িং গ্রো করার পাশাপাশি আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে কথোপকথনও বাড়বে। লোকেরা আপনার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলিতে কমেন্ট করবে, তাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলিতে আপনাকে ট্যাগ করবে, অথবা আপনাকে সরাসরি ম্যাসেজ দেবে।

এমনকি লোকেরা সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে কথাও বলতে পারে। যা আপনি চাইলে মনিটর করতে পারবেন। আপনি আপনার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির সমস্ত নোটিফেকশন চেক করতে পারবেন, ‍যদিও এটি খুব বেশি কার্যকরী নয়। কেননা, আপনার বিজনেসের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ট্যাগ না করা হলে আপনি সাধারণত কোনও পোস্ট দেখতে পারবেন না। 

এক্ষেত্রে আপনি এমন একটি সোশ্যাল মিডিয়া লিসেনিং অ্যান্ড ইনগেজমেন্ট টুল ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে বিজনেস সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ট্যাগ না করা হলেও আপনি সোশ্যাল মিডিয়া মেনশন এবং ম্যাসেজসহ সমস্ত পোস্ট দেখতে পারবেন।

4.অ্যানালিটিক্স

আপনি কোন সোশ্যাল মিডিয়াতে ইনগেজ আছেন কি না অথবা কোন ধরনের কনটেন্ট পাবলিশড করছেন, কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং পরিচালনা করছেন? গতমাসের তুলনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় আরোও বেশি লোকের কাছে পৌঁছাতে পেরেছেন কি না? একমাসে কতটি পজিটিভ মেনশন পেয়েছেন? কতজন লোক তাদের ব্র্যান্ডের হ্যাশট্যাগগুলো তাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলোতে ব্যবহার করেছে? 

মূলত, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি এ জাতীয় সমস্ত তথ্যের বেসিক লেভেল প্রোভাইড করে থাকে। এছাড়াও আরো গভীরভাবে অ্যানালিটিক্স ইনফরমেশন পেতে Buffer Analyze এর মতো সোশ্যাল মিডিয়া অ্যানালিটিক্স টুল ব্যবহার করতে পারেন। 

5. অ্যাডভার্টাইজিং

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বাড়ানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাডভার্টাইজিং একটি কার্যকরী কৌশল। সোশ্যাল মিডিয়া বিজ্ঞাপনগুলি আপনাকে আপনার অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ দেয়। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া বিজ্ঞাপন প্ল্যাটফর্মগুলি এতটাই পাওয়ারফুল যে কে আপনার বিজ্ঞাপনগুলি পরিদর্শন করলো তা আপনি সহজেই নির্দিষ্ট করে বলতে পারবেন। 

আপনি শ্রোতাদের ডেমোগ্রাফিক, ইন্টারেস্ট, আচরণ এবং আরো কিছুর ওপর ভিত্তি করে আপনার টার্গেট অডিয়েন্স তৈরী করতে পারবেন। একসাথে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাডভার্টাইজিং করার ক্ষেত্রে আপনি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাডভার্টাইজিং টুলগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং: A Simple Definition

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর সুবিধা

কোনো কোম্পানীতে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমন:

1. ব্র্যান্ড সচেতনতা বৃদ্ধি

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং আপনার কোম্পানীর ইনগেজমেন্ট ড্রাইভের মাধ্যমে ব্র্যান্ড সচেতনতাকে বাড়িয়ে তোলে। এর মধ্যে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার এবং রি-পোস্ট ইত্যাদি অন্তভূক্ত।  সোশ্যাল মিডিয়া আপনার সাইটে সরাসরি ট্র্যাফিক নির্দেশ করে ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়াতে সহায়তা করে। আপনার নিজস্ব প্রোফাইল, বায়ো এবং পোস্টগুলিতে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক সরাসরি অন্তর্ভূক্ত করে এটি করতে পারেন।

2. লিডস এ্যান্ড বুস্ট কনভার্সন জেনারেট

আপনার প্রোডাক্টগুলিকে প্রমোট এবং শেয়ার করা মূলত লিড জেনারেশন, বুস্ট কনভার্শস এবং সেলস ইনক্রেজের একটি গুরুত্বপূর্ণ সহজ উপায়। কেননা আপনি সেই সব লোকের কাছেই বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন যারা আপনার সাথে ইনগেজ আছে এবং সচরাচর আপনার অ্যাকাউন্টকে ফলো করে থাকে। 

কিছু সহজ উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে আরো বেশি লিড জেনারেট করতে পারেন। যেমন:

  • আপনার সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে অংশ নেয়ার জন্য আপনার ভিজিটর এবং ফলোয়ারদের জন্য প্রতিযোগিতা তৈরী করুন।
  • আপনার প্রোফাইলের বায়ো সেকশনে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক এবং অফারগুলো যুক্ত করুন।
  • প্রোডাক্টস সম্পর্কিত অ্যানাউন্সমেন্ট তৈরী করতে লাইভ-ভিডিওগুলি হোস্ট করুন এবং আপনার কোম্পানীর এক্সিটিং নিউজ সম্পর্কিত আপডেট অথবা ডিটেইলস প্রোভাইড করুন।
  • আপনার চ্যানেলগুলির মধ্যে যে কোন একটি চ্যানেলে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং প্রচারকার্য বাস্তবায়ন করুন।
  • সোশ্যাল প্রোফাইল গুলোর মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্টগুলো সেল করুন।

3. কাস্টমারদের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন

আপনি আপনার সোশ্যাল মিডিয়া ফলোয়ারদের সাথে কানেক্ট হওয়ার মাধ্যমে তাদের এবং আপনার বিজনেসের মধ্যে একটি স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন। 

আপনার পোস্টগুলিতে তাদের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করে, তাদের প্রশ্ন বা কমেন্টে রেসপন্স করে এবং তাদের যে কোনো প্রয়োজনে সহায়তা করার মাধ্যমে আপনি এটি করতে পারেন। আপনি আপনার ফলোয়ারদের আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে, তাদের অসুবিধা এবং চাহিদা সম্পর্কে প্রশ্ন করুন। তাদের সহায়তা করার মাধ্যমে আস্থা তৈরী করুন এবং এটা দেখান যে আপনি তাদের সহায়তা করতে কতটা তৎপর।

4. আপনার প্রতিযোগীদের থেকে শিক্ষা নিন

মূলত, সোশ্যাল মিডিয়া হচ্ছে আপনার প্রতিযোগীদের ওপর নজর রাখার দূর্দান্ত একটি উপায়। তারা কীভাবে তাদের সোশ্যাল মিডিয়া কৌশল অবলম্বন করে তাদের পণ্যের প্রচার চালাচ্ছে, ফলোয়ারদের সাথে তাদের যোগাযোগ লেভেল কতটা উন্নত ইত্যাদি লক্ষ্য করুন। 

সোশ্যাল মিডিয়া আপনাকে আপনার প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে কী দরকার এবং কোনটি দরকার নেই তা বোঝার সুবিধা দিয়ে থাকে। এই কারণে আপনি আপনার কোম্পানীর অগ্রসর হওয়ার জন্য কোনো টার্ম পরিবর্তন করা উচিত কী উচিত নয় তা সহজেই নির্ধারন করতে পারেন। 

এছাড়াও আপনার প্রতিযোগীদের সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট রিভিউ গুলি এটা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে যে আপনার মার্কেটিং কৌশল টেকসই এবং আপনার ব্র্যান্ডের জন্য সম্পূর্ণ ইউনিক।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং: A Simple Definition

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কৌশল

1. বায়ার পার্সোনাস এবং অডিয়েন্স রিসার্চ করুন

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কৌশল তৈরীর প্রথম পদক্ষেপ হলো আপনার বায়ার পার্সোনাস এবং অডিয়েন্সের প্রয়োজন এবং চাহিদাগুলি ভালোভাবে টার্গেট করা। এক্ষেত্রে আপনি যে লোকদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন তাদেরকে কেন এবং কীভাবে একটি গ্রুপ এ শ্রেণীবদ্ধ করবেন সে সম্পর্কে চিন্তা করুন। 

2. কোন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে মার্কেটিং করবেন তা নির্ধারণ করুন

একজন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটার হিসেবে আপনি আপনার প্ল্যাটফর্মগুলিতে কী ধরনের কনটেন্ট শেয়ার করবেন তা নির্ধারণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার টার্গেট অডিয়েন্সের চাহিদা অনুসারে আপনার বিজনেসের ক্ষেত্রে কোন সোশ্যাল চ্যানেলগুলো ব্যবহার করবেন সে ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।

3. ইউনিক এবং ইনগেচিং কনটেন্ট তৈরী করুন

বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারদের মধ্যে কমপক্ষে কিছু সংখ্যক ফলোয়ার বা আপনার প্রোফাইল ব্রাইজকারী লোকেরা কোন প্রশ্ন ছাড়াই আপনার প্রতিযোগীর কনটেন্ট অথবা আপনার ইন্ডাস্ট্রির অন্যান্য বিজনেসেও দর্শন করে থাকে। 

আর তাই একটি সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট এমন হওয়া উচিত যার মাধ্যমে আপনি আপনার ফলোয়ারদের আপনার ব্র্যান্ডের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারবেন। আপনার প্রতিযোগীরা কোন ধরনের কনটেন্ট শেয়ার করছে অথবা কীভাবে আপনার প্রোডাক্টগুলি ইউনিকভাবে প্রমোট করতে পারবেন তা বিবেচনা করুন। এই বিষয় আপনাকে সৃজনশীল হতে সাহায্য করবে।  উদাহরণস্বরূপ, আপনার প্রোডাক্ট লঞ্চ সম্পর্কিত সর্বশেষ তথ্য শেয়ার করার জন্য ফেইসবুকে লাইভ ভিডিও তৈরী করতে পারেন।

আপনার কনটেন্ট জেনারেট করার ক্ষেত্রে সাহায্য পেতে কারেন্ট কাস্টমার এবং প্রোমোটারদের ব্যবহার করুন। আপনি তাদের কনটেন্টগুলে রি-পোস্ট করতে পারেন অথবা আপনার প্রোডাক্টগুলির সাথে তাদের ছবি এবং অভিজ্ঞতা হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের মাধ্যমে শেয়ার করার জন্য উৎসাহিত করতে পারেন। 

4. আপনার পোস্টের জন্য সিডিউল তৈরী করুন

আপনার নির্দিষ্ট প্ল্যান অনুযায়ী কনটেন্ট শেয়ার নিশ্চিত করার একটি সহজ উপায় হলো সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট সল্যুশন ব্যবহার করা। এই টুলগুলি আপনাকে ক্যাপশন লেখার, ছবি ও ভিডিও তৈরী করার, এবং অ্যাডভান্সড পোস্ট সিডিউল করার সুবিধা দিয়ে থাকে। 

এটি অটোমেটিক্যালি সিডিউল অনুসারে আপনার পোস্ট শেয়ার করবে এবং পাশাপাশি আপনার সমস্ত পোস্টের ইন্টারঅ্যাকশন এবং ইনগেজমেন্ট মনিটর করবে। মূলত সোশ্যার মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট সল্যুশন আপনার সময়কে সাশ্রয় করে এবং আপনাকে আপনার অন্যান্য কাজেও ফোকাস করার সুবিধা দিয়ে থাকে। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট টুলগুলির মধ্যে HubSpot, Sprout Social, Hootsuite ইত্যাদি অন্যতম।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং: A Simple Definition

সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিং শুরু করুন

কোটি কোটি সোশ্যার মিডিয়া ব্যবহারকারী লোকেদের মধ্যে এটা দেখা একটি সহজ ব্যাপার যে কতগুলো বিজনেস এবং মার্কেটাররা তাদের প্রোডাক্টস প্রমোট এবং কাস্টমারদের ইনগেজ করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলি ব্যবহার করে থাকে। যদি আপনার কোম্পানীর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকশনের কোর্স নির্ধারণ করা জটিল বলে মনে হয়, তবে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ট্রেন্ড বোঝার মাধ্যমে এবং এই বিষয় সম্পর্কিত অ্যাভেইলেবল প্রচুর রিসোর্চ ব্যবহার করে আপনার দ্বিধা দূর করতে পারেন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং: A Simple Definition

The post সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং: A Simple Definition appeared first on Study Tech.

]]>
https://www.studytechbd.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82/feed/ 2
ডিজিটাল মার্কেটিং: Your Way To Success https://www.studytechbd.com/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82-your-way-to-success/ https://www.studytechbd.com/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82-your-way-to-success/#respond Mon, 21 Sep 2020 03:42:10 +0000 https://www.studytechbd.com/2020/09/21/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82-your-way-to-success/ ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন মার্কেটিং, ইন্টারনেট অ্যাডভার্টাইজিং যাই বলুন না কেন বর্তমানে সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে আপনার কোম্পানীকে অনলাইনে মার্কেটিং করা। আজকের দিনে ইন্টারনেট কতটা অ্যাক্সেসযোগ্য তা অনুধাবন করা যায় প্রতিদিন অনলাইনে অ্যাকটিভ লোকেদের সংখ্যার ওপর। শেষ তিন বছরে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে “কনস্ট্যান্ট” ইন্টারনেটের ব্যবহার ৫% বৃদ্ধি পেয়েছে।  সর্বোপরি, বিগত দশকে ইন্টারনেটের ব্যবহারের পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি। ইন্টারনেট […]

The post ডিজিটাল মার্কেটিং: Your Way To Success appeared first on Study Tech.

]]>
ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন মার্কেটিং, ইন্টারনেট অ্যাডভার্টাইজিং যাই বলুন না কেন বর্তমানে সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে আপনার কোম্পানীকে অনলাইনে মার্কেটিং করা। আজকের দিনে ইন্টারনেট কতটা অ্যাক্সেসযোগ্য তা অনুধাবন করা যায় প্রতিদিন অনলাইনে অ্যাকটিভ লোকেদের সংখ্যার ওপর। শেষ তিন বছরে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে “কনস্ট্যান্ট” ইন্টারনেটের ব্যবহার ৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। 

সর্বোপরি, বিগত দশকে ইন্টারনেটের ব্যবহারের পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি। ইন্টারনেট ব্যবহারের এই চাহিদা লোকেদের পণ্য ক্রয় এবং তাদের ব্যবসার যোগাযোগ পদ্ধতির ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

ডিজিটাল মার্কেটিং অন্য যে কোনও মার্কেটিংয়ের মতোই আপনার সম্ভাব্য গ্রাহকদের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং তাদের প্রভাবিত করার একটি উপায়। তবে পার্থক্য হ’ল, আপনাকে সেই গ্রাহকদের সাথে অনলাইনে যোগাযোগ করতে হবে। 

মূলত, ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে অনলাইনে মার্কেটিং করার প্রচেষ্টাকে বোঝানো হয়। একটি বিজনেসের বর্তমান এবং সম্ভাব্য গাহকদের সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য সার্চ ইঞ্জিন, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং, Pay-Per-Click Advertising, এমনকি ব্লগিং ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সেরা উদাহরণ। 

এগুলো আপনার কোম্পানীকে গ্রাহকদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া থেকে শুরু করে তাদের ক্রয়ের ক্ষেত্রেও উৎসাহ প্রদান করে। ডিজিটাল মার্কেটিং আপনার ব্যবসা এবং ব্র্যান্ড সচেতনতার জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে। যদি তা না থাকে তবে কমপক্ষে সোশ্যাল মিডিয়া বা ডিজিটাল এ্যাডের কৌশল রয়েছে। 

ডিজিটাল কনটেন্ট এবং মাকের্টিং এখন এতটাই কমন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে যে গ্রাহকরা বিভিন্ন ব্র্যান্ডগুলি সম্পর্কে জানার উপায় হিসেবি এর ওপরই নির্ভর করে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, একজন বিজনেস মালিক হিসেবি প্রতিযোগিতামূলক হতে আপনার ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কয়েকটি বিষয় আঁকড়ে ধরা জরুরী। 

যেহেতু ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সাথে অনেকগুলি বিকল্প এবং কৌশল সম্পর্কযুক্ত, আপনি আপনার বাজেটে বিভিন্ন মার্কেটিং কৌশল নিয়ে ক্রিয়েটিভ এবং এক্সপেরিমেন্ট নিতে পারেন। 

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি কোনো ট্রেডিশনাল প্রচারমূলক সামগ্রী যেমন বিলবোর্ড বা প্রিন্ট অ্যাডের চেয়ে আপনার প্রচারগুলির সাকসেস মনিটর করতে অ্যানালাইটিকস ড্যাশবোর্ডের মতো টুলগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

এটি কিভাবে কাজ করে?

বিভিন্ন উপায়ে ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেডিশনাল মার্কেটিংয়ের চেয়ে আলাদা নয়। দুটিই সাধারণত স্মার্ট অর্গানাইজেশনগুলির সম্ভাবনা, নেতৃত্ব এবং গ্রাহকদের সাথে পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টা করে। তবে বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেডিশনাল মার্কেটিং কৌশলকে রিপ্লেস করেছে। কেননা এটি আজকের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

উদাহরণস্বরূপ, আপনার করা শেষ গুরুত্বপূর্ণ ক্রয়ের কথাই চিন্তা করুন। ধরুন, আপনি একটি বাড়ি কিনেছেন, বাড়িটির ছাদ ঠিক করার জন্য কাউকে নিয়োগ করেছেন অথবা আপনার অফিসে পেপার সাপ্লাইকারীদের পরিবর্তন করেছেন। সেক্ষেত্রে আপনি সম্ভবত এর সমাধানগুলি, কে সাপ্লাই করেছিল এবং সমাধানের সেরা বিকল্পগুলি কি তা জানতে ইন্টারনেটে সার্চ করেছিলেন। 

ঠিক এইভাবে বেশিরভাগ ক্রয়ের সিদ্ধান্ত অনলাইনেই শুরু হয়। আপনি কি সেল করছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয় অনলাইনে উপস্থিতিই হচ্ছে মূলবিষয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধাসমূহ

একটি স্ট্রং ডিজিটাল প্রেজেন্স আপনাকে বিভিন্নভাবে সাহায্য করতে পারে:

১) এটি বিক্রয়ের আগে ও পরে উভয় ক্ষেত্রেই ইনগেজমেন্ট এবং ব্যস্ততা তৈরী করতে আপনাকে সাহায্য করবে।

২) যারা সাধারণত বেশি কেনে এমন সব নতুন বায়ারদেরকে পাগল ফ্যান এ রূপান্তর করতে সাহায্য করবে।

৩) এটি সোশ্যাল শেয়ারিং সহ সমস্ত রকমের সুবিধা প্রদান করে থাকে।

৪) সঠিক সময়ে সঠিক অফার প্রেজেন্ট করার মাধ্যমে এটি বায়ারদের যাত্রাকে আরো ছোট করতে সাহায্য করে।

ডিজিটাল মার্কেটিং চ্যানেল

ওয়েবসাইট  মার্কেটিং 

ওয়েবসাইট হ’ল সমস্ত ডিজিটাল মার্কেটিং ক্রিয়াকলাপের কেন্দ্রস্থল। এটি একটি পাওয়ারফুল চ্যানেল এবং বিভিন্ন মার্কেটিং প্রচারণা চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় মাধ্যম। একটি ওয়েবসাইট এমন হওয়া উচিত যেখানে একটি ব্র্যান্ড, পণ্য এবং সার্ভিসসমূহ পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করা থাকবে। এটি মোবাইল-ফ্রেন্ডলী এবং সহজভাবে ব্যবহারযোগ্য হওয়া উচিত।

Pay-Per-Click (PPC) অ্যাডভার্টাইজিং

PPC অ্যাডভার্টাইজিং মার্কেটারদের পেইড এডসের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ইন্টারনেট ইউজারদের নিকট পৌঁছাতে সাহায্য করে। মার্কেটাররা সাধারণত Google, Bing, LinkedIn, Twitter, Pinterest অথবা Facebook এ তাদের PPC প্রচার চালাতে পারে এবং পণ্য বা সার্ভিস সম্পর্কিত বিজ্ঞাপনগুলি সার্চিং এর মাধ্যমে লোকেদের দেখার সুযোগ করে দিয়ে থাকে। 

PPC প্রচারের বিভাগ সাধারণত ইউজারদের ক্যারেক্টারের ওপর ভিত্তি করে (বয়স বা লিঙ্গ অনুসারে), অথবা তাদের আগ্রহ বা অবস্থানকে টার্গেট করে গঠিত হয়। সবচেয়ে জনপ্রিয় PPC প্ল্যাটফর্মগুলি হ’ল- 

  • Google Ads এবং 
  • Facebook Ads

কনটেন্ট মার্কেটিং

কনটেন্ট ব্যবহারের মাধ্যমে সম্ভাব্য গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোই হল কনটেন্ট মার্কেটিংয়ের মূল লক্ষ্য। মূলত কনটেন্ট প্রথমে কোনো একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়া, ইমেইল মার্কেটিং, এসইও, অথবা PPC প্রচারের প্রচারিত হয়ে থাকে। 

Blogs, Ebooks, Online Courses, Infographics, Podcasts, Webinars ইত্যাদি কনটেন্ট মার্কেটিং টুলগুলোর অন্তর্ভূক্ত।

ইমেইল – মার্কেটিং

ইমেইল মার্কেটিং বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের একটি অন্যতম কার্যকরী চ্যানেল। মূলত ইমেইল মার্কেটিং আপনার সম্ভাব্য গ্রাহকদের বা আপনার ব্র্যান্ডে আগ্রহী ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম। অনেক ডিজিটাল মার্কেটাররা তাদের ইমেইল লিস্টে লিড এ্যাডের ক্ষেত্রে অন্যান্য সমস্ত ডিজিটাল মার্কেটিং চ্যানেল ব্যবহার করে এবং পরবর্তীতে ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে তারা গ্রাহকদের লিডে পরিণত করতে Customer Acquisition Funnel তৈরি করে।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

সাধারণত একটি ব্র্যান্ডের পরিচিতি বাড়ানো এবং সামাজিক বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর প্রাথমিক লক্ষ্য। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে-

  • ফেসবুক
  • টুইটার.
  • লিঙ্কডইন
  • ইনস্টাগ্রাম
  • স্ন্যাপচ্যাট
  • পিন্টারেস্ট এর মতো চ্যানেলগুলি ব্যবহার করা হয়।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সাধারণত আপনি লিড পাওয়ার ক্ষেত্রে অথবা সরাসরি একটি সেল চ্যানেল হিসেবি ব্যবহার করতে পারেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং

এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো মার্কেটিং এর অন্যতম একটি প্রাচীন রূপ, যা ইন্টারনেটের ছোঁয়ায় নতুন রূপ লাভ করেছে। এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে মার্কেটাররা অন্য ব্যক্তির পণ্যসামগ্রীর প্রচারকার্য চালায় এবং প্রতিবার লিড প্রবর্তন বা সেলের জন্য কমিশন লাভ করে থাকে। 

অ্যামাজনের মতো অনেক নামী কোম্পানীগুলোর এফিলিয়েট প্রোগ্রাম রয়েছে যেগুলো তাদের পণ্যগুলি বিক্রি করে দেয় এবং বিনিময়ে কোম্পানীগুলো তাদের ওয়েবসাইটগুলিতে প্রতি মাসে কয়েক মিলিয়ন ডলার প্রদান করে।

ভিডিও মার্কেটিং

বর্তমানে ইউটিউব সার্চ ইঞ্জিনে জনপ্রিয়তার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। 

প্রচুর ইউজার এখন কিছু ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়ার পূর্বে, কিছু জানতে অথবা রিভিউ পড়ার জন্য ইউটিউবের ওপর পুরোপুরিভাবে নির্ভরশীল। ভিডিও মার্কেটিং প্রচার চালানোর জন্য ফেসবুক ভিডিও, ইনস্টাগ্রাম, বা টিকটকসহ বেশ কয়েকটি ভিডিও মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। 

কোম্পানীগুলো সাধারণত এসইও, কনটেন্ট মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং প্রচারের সাথে ভিডিও এড করার মাধ্যমে সর্বাধিক সাফল্যের সন্ধান করে থাকে।

এসএমএস ম্যাসেজিং

বিভিন্ন কোম্পানী এবং নন-প্রোফিট অর্গানাইজেশনগুলো তাদের সর্বশেষ প্রচারগুলি বা ইচ্ছুক গ্রাহকদের সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে তথ্য প্রেরণের জন্য এসএমএস বা টেক্সট ম্যাসেজেস ব্যবহার করে থাকে। 

এমনকি রাজনৈতিক প্রার্থীরাও তাদের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে ইতিবাচক তথ্য ছড়িয়ে দিতে এসএমএস ম্যাসেজ প্রচার ব্যবস্থা ব্যবহার করে। 

একজন ডিজিটাল মার্কেটারের কাজ কি?

সাধারণত একজন ডিজিটাল মার্কেটার ফ্রি অথবা পেইডে কোনো একটি কোম্পানীর ব্র্যান্ডের অবগতি পরিচালনা এবং সমস্ত ডিজিটাল চ্যানেলগুলির মাধ্যমে লিড জেনারেশনের কাজে নিযুক্ত থাকে। চ্যানেলগুলির মধ্যে রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া, কোম্পানীর নিজস্ব ওয়েবসাইট, সার্চ ইঞ্জিন র‌্যাঙ্কিং, ইমেইল, ডিসপ্লে অ্যাডভার্টাইজিং, কোম্পানী ব্লগ ইত্যাদি।

ডিজিটাল মার্কেটাররা সাধারণত প্রতিটি চ্যানেলের জন্য আলাদা Key Performance Indicator অর্থাৎ KPI এর দিকে ফোকাস করে থাকে। যাতে তারা কোম্পানীর প্রতিটির পারফরমেন্স সঠিকভাবে পরিমাপ করতে পারে। 

উদাহরণস্বরূপ, এসইওর দায়িত্বে থাকা একজন ডিজিটাল মার্কেটার তাদের ওয়েবসাইটের “অর্গানিক ট্র্যাফিক” পরিমাপ করে।

ছোট কোম্পানীগুলোতে একজন জেনারালিস্ট একসাথে অনেকগুলো ডিজিটাল মার্কের্টিং কৌশলের অধিকারী হতে পারে। অপরদিকে বড় কোম্পানীগুলোতে এই কৌশলগুলির একাধিক স্পেশালিস্ট রয়েছে যারা তাদের প্রতিটি ফোকাস ব্রান্ডের ডিজিটাল চ্যানেলগুলির মধ্যে কেবল একটি বা দুটির ওপর দিয়ে থাকে।

এমন কয়েকটি স্পেশালিস্টের উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:

এসইও ম্যানেজার

সংক্ষেপে বলতে গেলে এসইও ম্যানেজাররা একটি বিজনেসকে গুগলে র‌্যাঙ্ক করে থাকে। তারা তাদের তৈরীকৃত কনটেন্ট এর গুগলে ভালো পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে সরাসরি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সাথে কাজ করে থাকে। 

কনটেন্ট মার্কেটিং স্পেশালিস্ট

কনটেন্ট মার্কেটিং স্পেশালিস্ট বলতে সাধারণত ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বোঝায়। তারা সবসময় কোম্পানীর ব্লগিং ক্যালেন্ডার ট্র্যাক করে থাকে এবং ভিডিও যুক্ত আছে এমন সব কনটেন্ট স্ট্র্যাটেজি নিয়ে কাজ করে। 

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার

একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজারের ক্যারেক্টার সাধারণত টাইটেল থেকেই অনুমান করা সহজ। কিন্তু তারা কোম্পানীর ক্ষেত্রে কোন সোশ্যাল মিডিয়াগুলি ম্যানেজ করে তা নির্ভর করে ইন্ডাস্ট্রির ওপর। সর্বোপরি, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজাররা কোম্পানীর লিখিত এবং ভিজ্যুয়াল কনটেন্টের জন্য একটি পোস্টিং সিডিউল স্থাপন করে। 

এই ধরনের এমপ্লোয়িরা সাধারণত কোন্ সোশ্যাল নেটওয়ার্কে কোন ধরণের পোস্ট করতে হবে তার কৌশল ডেভেলোপের জন্য কনটেন্ট মার্কেটিং স্পেশালিস্টদের সাথেও কাজ করে থাকে।

মার্কেটিং অটোমেশন কো-অর্ডিনেটর

একজন মার্কেটিং অটোমেশন কো-অর্ডিনেটর এমন সফটওয়্যার নির্বাচন এবং ম্যানেজ করতে সাহায্য করে যা পুরো মার্কেটিং টিমকে তাদের কাস্টমারের আচরণ এবং বিজনেস গ্রোথকে পরিমাপ করার সুযোগ দেয়। 

ডিজিটাল মার্কেটিং কি সব ধরনের বিজনেসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?

ডিজিটাল মার্কেটিং যে কোন ইন্ডাস্ট্রির যে কোন বিজনেসের ক্ষেত্রেই কাজ করতে পারে। এটি আপনার অডিয়েন্সের প্রয়োজনগুলি আইডেন্টিফাই করতে এবং মূল্যবান কনটেন্ট  তৈরী করার ক্ষেত্রে বায়ারদের ব্যক্তিত্ব বিল্ড করার সাথে জড়িত। সুতরাং, এটি আর বলার অপেক্ষা রাখে না যে সমস্ত বিজনেসের ক্ষেত্রে একইভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল বাস্তবায়ন করা জরুরী। 

B2B ডিজিটাল মার্কেটিং

যদি আপনার কোম্পানীটি বিজনেস-টু-বিজনেস অর্থাৎ B2B হয় তাহলে আপনার ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের প্রচেষ্টাগুলি অনলাইন লিড জেনারেশনকে কেন্দ্র করে করতে হবে। যার শেষ লক্ষ্য একজন সেলস পার্সন এর সাথে কথা বলা। 

আর তাই সেক্ষেত্রে আপনার মার্কেটিং কৌশলের ভূমিকা হবে ওয়েবসাইট এবং ডিজিটাল চ্যানেলগুলিকে সাপোর্ট করার মাধ্যমে আপনার সেলসপিপলদের জন্য সর্বোচ্চ মানের লিড আর্কষণ এবং রূপান্তর করা। 

ওয়েবসাইটের বাইরেও আপনার প্রচেষ্টাকে ফোকাস করতে লিঙ্কডইনের মতো বিজনেস-ফোকাস চ্যানেলগুলিকে বেছে নিন। 

B2C ডিজিটাল মার্কেটিং

যদি আপনার কোম্পানীটি আপনার পণ্যসমূহের মূল্যের ওপর ভিত্তি করে বিজনেস-টু-কনজুমার অর্থাৎ B2C হয়, তাহলে আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং প্রচেষ্টার লক্ষ্য হলো লোকেদের আপনার ওয়েবসাইটের প্রতি আকৃষ্ট করা এবং কোনো সেলসপার্সন এর সাথে কথা বলার প্রয়োজন ছাড়াই তাদের গ্রাহক হয়ে ওঠা। 

এর ফলে আপনি প্রকৃত অর্থে ‘লিডস’ এর দিকে বেশি ফোকাস করার তুলনায় আপনার ওয়েবসাইটে বায়ার পৌঁছানোর মূহুর্ত থেকে ক্রয় করার মূহুর্ত পর্যন্ত বায়ারের যাত্রা বৃদ্ধির দিকে বেশি ফোকাস করবেন। 

B2C কোম্পানীগুলোর ক্ষেত্রে লিংকডইন এর মতো বিজনেস-ফোকাসড প্লাটফর্মের তুলনায় ইন্সটাগ্রাম এবং পিন্টারেস্টের মতো চ্যানেলগুলি অধিক মূল্যবান।

কোনো কোম্পানীর ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ভূমিকা কি?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অফলাইন মার্কেটিং প্রচেষ্টা ডিজিটাল মার্কেটিং থেকে পৃথক। এটি সাধারণত মার্কেটারদের সঠিক সময়ে সঠিক ফলাফর দেখার সুযোগ দিয়ে থাকে। আপনি যখন কোনো পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেবেন, তখন কতজন লোক সেটা দেখল তা আপনার পক্ষে অবশ্যই নির্ণয় করা কঠিন। 

বিক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনটি আদৌ কোনো কাজে এসেছিল কি না তা জানার নিশ্চিত কোনো উপায় নেই। কিন্তু ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সাহায্যে আপনি আপনার মার্কেটিং প্রচেষ্টার যে কোন ক্ষেত্রের ROI পরিমাপ করতে পারেন।

নিচে কিছু উদাহরণ দেয়া হলো:

ওয়েবসাইট ট্র্যাফিক

ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে HubSpot এর মতো মার্কেটিং প্লাটফর্মগুলোতে সহজলভ্য ডিজিটাল অ্যানালিটিক্স সফটওয়্যার ব্যবহার করে সঠিক সময়ে আপনার ওয়েবসাইটের হোমপেজে দর্শনকারী লোকের সঠিক সংখ্যা আপনি মূহুর্তেই দেখতে পারেন। 

এছাড়াও অন্যান্য ডিজিটাল অ্যানালিটিক্স ডেটার মধ্যে তারা কতগুলো পেইজ ভিজিট করেছে, কোন ডিভাইস ব্যবহার করেছে, এমনকি তাদের অবস্থানও আপনি দেখতে পাবেন। আপনার ওয়েবসাইটে চ্যানেল পরিচালনা করছে এমন লোকের সংখ্যার ভিত্তিতে এই কৌশল আপনাকে কোন চ্যানেলগুলিতে বেশি অথবা কম সময় ব্যয় করতে হবে সেক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে সহায়তা করে। 

উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার ট্র্যাফিকের ১০% অর্গানিক ‍সার্চ থেকে আসে, সেক্ষেত্রে আপনি জানেন যে এই শতাংশের পরিমাণ বাড়াতে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য এসইও তে সময় ব্যয় করা প্রয়োজন।

অফলাইন মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে ক্রয় করার পূর্বে লোকেরা আপনার ব্র্যান্ডের সাথে কীভাবে ইন্টারঅ্যাক্ট করছে তা বলা খুব কঠিন। কিন্তু ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি ক্রেতাদের ক্রয়ের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোর পূর্বে তাদের আচরণের প্রবণতা এবং নমুনা শনাক্ত করতে পারবেন। 

অর্থাৎ, আপনি কীভাবে মার্কেটিং ফানেলের শীর্ষে আপনার ওয়েবসাইটে তাদের আকর্ষণ করতে পারেন সে সম্পর্কে আরও সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

কনটেন্ট পারফরমেন্স এবং লিড জেনারেশন

ধরুন, আপনি অফলাইনে থেকে কোনো একটি প্রোডাক্টের প্রচারপত্র তৈরী করেছেন এবং সেটাকে লোকেদের লেটারবক্স মারফত পোস্ট করেছেন। প্রচারপত্র সাধারণত কনটেন্টের আরেকটি রূপ হলেও মূল সমস্যাটি হল কতজন এই প্রচারপত্রটি খুলেছিল বা খোলেনি সে সম্পর্কে আপনি জানতে পারবেন না। 

এখন ধরুন, এই প্রচারপত্রটি আপনার নিজের ওয়েবসাইটে ছিল। এখন আপনি প্রচারপত্রটিকে যে পেজে হোস্ট করেছিলেন সেখানে কতজন লোক দর্শন করেছিল তা পরিমাপ করতে পারবেন এবং যারা ফর্ম ব্যবহার করে এটি ডাউনলোড করেছিল তাদের কনট্যাক্ট ডিটেইলস ও সংগ্রহ করতে পারবেন। 

আপনার কনটেন্টে কতজন আকর্ষিত হয়েছে শুধু তাই পরিমাপ করতে পারবেন এমনটা নয়, সেইসাথে আপনি লোকেদের এটি ডাউনলোড করার সময় লিডও জেনারেট করতে পারবেন।

এট্রিবিউশন মডেলিং

সঠিক টুলস এবং টেকনোলজীর সাথে মিলিত কার্যকরী ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল আপনাকে আপনার বিজনেসের সাথে কাস্টমারদের ফার্স্ট ডিজিটাল টাচ পয়েন্টে আপনার সবগুলো বিক্রয় ট্রেস করার সুবিধা দেয়। 

আমরা এই এট্রিবিউশনকে মডেলিং বলে থাকি। কেননা, এটি মার্কেটিং কৌশলের কোন অংশের দিকে বেশি ফোকাস করতে হবে এবং আপনার বিক্রয় চক্রের কোন অংশটি রিফাইন করতে হবে সেই সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। 

পাশাপাশি, লোকেরা কিভাবে আপনার পণ্যটি রিসার্চ করে এবং কেনে সেই প্রবণতাগুলো আইডেন্টিফাই করতে সাহায্য করে। আপনি যদি ডিজিটাল টেকনোলজী ব্যবহার করে ক্রয়চক্রের মাধ্যমে আপনার গ্রাহকের যাত্রা উন্নতি করতে পারেন তবে আপনার বিজনেসের ক্ষেত্রে এটি একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। 

শেষ কথা

মূলত, ডিজিটাল মার্কেটিং হলো ফিউচার মার্কেটিং। আপনি আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং প্রচেষ্টার ফলাফলকে অবিশ্বাস্য নির্ভুলতার সাথে ট্র্যাক করতে পারেন। 

অর্থাৎ, কোন কৌশলগুলি লাভজনক ফলাফল তৈরি করছে এবং কোনটিকে উন্নত করা প্রয়োজন ছিল তা আপনি সহজেই বুঝতে পারেন। সুতরাং, ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে সঠিক পন্থা অবলম্বন করুন এবং আপনার বিজনেসকে বাড়িয়ে তুলুন।

The post ডিজিটাল মার্কেটিং: Your Way To Success appeared first on Study Tech.

]]>
https://www.studytechbd.com/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82-your-way-to-success/feed/ 0
কীভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হবেন? https://www.studytechbd.com/%e0%a6%95%e0%a7%80%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/ https://www.studytechbd.com/%e0%a6%95%e0%a7%80%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/#respond Tue, 15 Sep 2020 03:59:07 +0000 https://www.studytechbd.com/2020/09/15/%e0%a6%95%e0%a7%80%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/ বর্তমানে কাউকে তার জীবিকা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে বেশিরভাগ উত্তরদাতাই বলেন যে তিনি একজন ফ্রিল্যানসার। বেকারগ্রস্ততা, আর্থিক অভাব-অনটন কিংবা ভালো মানের চাকুরী না পাওয়ার দরুণ লক্ষ লক্ষ তরুণ আজ ফ্রিল্যান্সিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিচ্ছে।  কিন্তু কেন তারা ফ্রিল্যান্সিংয়ের দিকে ঝুঁকছে? একজন ফ্রিল্যান্সার কি আদৌ দীর্ঘ দিন যাবৎ তার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারকে ধরে রাখতে পারে? ফ্রিল্যান্সিং আসলে […]

The post কীভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হবেন? appeared first on Study Tech.

]]>
বর্তমানে কাউকে তার জীবিকা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে বেশিরভাগ উত্তরদাতাই বলেন যে তিনি একজন ফ্রিল্যানসার। বেকারগ্রস্ততা, আর্থিক অভাব-অনটন কিংবা ভালো মানের চাকুরী না পাওয়ার দরুণ লক্ষ লক্ষ তরুণ আজ ফ্রিল্যান্সিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিচ্ছে। 

কিন্তু কেন তারা ফ্রিল্যান্সিংয়ের দিকে ঝুঁকছে? একজন ফ্রিল্যান্সার কি আদৌ দীর্ঘ দিন যাবৎ তার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারকে ধরে রাখতে পারে? ফ্রিল্যান্সিং আসলে কি?- আপনার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য এই বিস্তৃত গাইডটি। 

 

ফ্রিল্যান্সিং কী?

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মূলত একটি চুক্তি ভিত্তিক পেশা। যেখানে আপনি কোনো সংস্থার অধীনে কাজ করার ঝামেলার পরিবর্তে নিজস্ব দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বেশ কয়েকটি ক্লায়েন্টকে আপনার সার্ভিস প্রদান করতে পারবেন। 

একজন ফ্রিল্যান্সার তার বিজনেসের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। তার মধ্যে কিছু কমন সার্ভিসগুলো হলো:

  • অ্যাকাউন্টিং/বুককিপিং
  • গ্রাফিক ডিজাইন
  • মার্কেটিং
  • প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট
  • স্যোশাল মিডিয়া ম্যানেজার
  • টিচিং/ টিউটোরিং
  • ভার্চুয়াল অ্যাসিসটেন্ট
  • ওয়েব ডিজাইন/ডেভেলোপমেন্ট
  • রাইটিং/ইডিটিং

কিছু ফ্রিল্যান্সার সাধারণ ক্ষেত্রগুলিতে ফোকাস করে থাকে এবং অন্যান্যরা স্পেসিফিক ইন্ডাস্ট্রিজের দিকে ফোকাস করে যেমন: রিয়েল এস্টেট অ্যাসিসটেন্ট, অথবা Pay-Per-Click (PPC) কপিরাইটার্স ইত্যাদি। 

সাধারণত ফ্রিল্যান্সিং এ ইনকাম নির্ভর করে আপনার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং আপনার টার্গেটিং মার্কেটপ্লেসের ওপর। একজন ফ্রিল্যান্সার তার দক্ষতার মাধ্যমেই প্রতি ঘন্টায় 10 ডলার থেকে 75 ডলার পর্যন্ত উপার্জন করতে পারে।

অতএব,সাধারণ কথায় ফ্রিল্যান্সিং হ’ল  নিজের দক্ষতা, শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে একাধিক ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করা। ফ্রিল্যান্সিং সাধারণত আপনি ঘরে বসে করতে পারেন। তবে কাজের ধরণ এবং ক্লায়েন্টের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে আপনাকে আপনার ক্লায়েন্টের অফিসেও কাজ করতে হতে পারে। 

 

ফ্রিল্যান্সার কে?

সাধারণত ফ্রিল্যান্সার তাকেই বলা হয় যিনি একাধিক ক্লায়েন্টকে সার্ভিস প্রদানের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে থাকেন। তবে ভালো সার্ভিস প্রদানের জন্য অবশ্যই দক্ষতাসম্পন্ন হওয়া জরুরী। ফ্রিল্যান্সাররা সাধারণত Fiverr, 99designs এর মতো থার্ড-পার্টি প্ল্যাটফর্মগুলি ব্যবহারের মাধ্যমে এবং সরাসরিও ক্লায়েন্টদের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। 

কিন্তু অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে এবং ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং কি আদৌ যুক্তিযুক্ত পছন্দ? আপনি কীভাবে  ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন?

এ সমস্ত প্রশ্ন যদি আপনার মাথায় ঘুরপাক খায় তাহলে চলুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর দিকে তাকাই। যেখানে প্রায় 57 মিলিয়নেরও বেশি মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করছে। প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার ১১ শতাংশ প্রাথমিকভাবে ফুল-টাইম ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করছে। 

এছাড়াও বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ  ফ্রিল্যান্সার রয়েছে এবং তাদের মধ্যে পাঁচ লাখ মাসিক আয়ের ভিত্তিতে কাজ করছে। আউটসোর্সিং তালিকায় বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে তৃতীয়তম অবস্থানে আছে। এ থেকে খুব সহজেই ধারণা করা যায় যে  ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং অবশ্যই একটি যুক্তিযুক্ত পছন্দ।

 

ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধাসমূহ

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নয় পুরো বিশ্বেই ছড়িয়ে পড়েছে। 

  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় 53 মিলিয়ন ফ্রিল্যান্সার জাতীয় অর্থনীতির জন্য $715 বিলিয়ন উপার্জনে অবদান রেখেছে।
  • ফ্রিল্যান্সারদের বেশিরভাগই মহিলা (৭১.১%) এবং পুরুষ ২৯.৯%।
  • 56% ফ্রিল্যান্সার প্রতি ঘন্টায় 20 ডলার – 59 ডলার আয় করে থাকে।
  • একজন রাইটার প্রতিটি ব্লগ পোস্টে $ 58 – $ 82 পর্যন্ত আয় করে।
  • ডিজাইনাররা গড়ে প্রতি ঘন্টায় $ 52 -$ 90 ডলার পান।
  • প্রোগ্রামাররা গড়ে প্রতি ঘন্টায় $ 63 – $180 ডলার পর্যন্ত আয় করে থাকে।

সুতরাং, এ থেকেই বোঝা যায় যে, ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে একটি মোহনীয় পেশা। একজন ফ্রিল্যান্সার তার নিজস্ব সুবিধা অনুযায়ী যে কোন জায়গা থেকেই এমনকি ঘরে বসেই কাজ করার স্বাধীনতা পায়। ভালো দক্ষতার মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই অধিক উপার্জন করতে পারে।

 ফ্রিল্যান্সিং করার বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমন: 

নিজস্ব সুবিধা অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারকে পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখার জন্য প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম। আর সেই পরিশ্রমকে আপনি আপনার সুবিধা অনুযায়ী ভাগ করে নিতে পারবেন। আপনি ইচ্ছানুযায়ী আপনার কাজের সিডিউল তৈরী করতে পারেন।

এতে আপনার ব্যক্তিগত কাজের কোনো রকম সমস্যা হবে না।

নিজেই নিজের সার্ভিসের মূল্য নির্ধারণ করতে পারেন

ফ্রিল্যান্সিং এর একটি চমৎকার সুবিধা হচ্ছে আপনি কি ধরনের সার্ভিস দিচ্ছেন তার একটি যুক্তিসঙ্গত  মূল্য আপনার পছন্দ অনুযায়ী ক্লায়েন্টের কাছে থেকে চাইতে পারেন।

শুরুটা সাশ্রয়ী

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য প্রয়োজন কেবল কিছু ডিভাইস যেমন: ল্যাপটপ/ডেস্কটপ/কম্পিউটার এবং সেইসাথে প্রয়োজন আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা। সেইক্ষেত্রে আপনার কাছে এগুলো থাকলেই আপনি আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করার চিন্তা করতে পারেন।

আপনাকে বাড়তি কোনো ব্যয় করতে হবে না।

হাই ডিমান্ড রয়েছে

প্রতিযোগিতামূলক ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলিতে নির্ভরযোগ্য দক্ষতাসম্পন্ন ফ্রিল্যান্সারদের একটি হাই ডিমান্ড রয়েছে। আজকাল বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের তাদের ব্যবসার ক্ষেত্রে কর্মচারীর পরিবর্তে ফ্রিল্যান্সারদের ওপর নির্ভরশীলতার প্রবণতা বাড়ছে।

নিজস্ব সুবিধা অনুযায়ী ক্লায়েন্ট বেছে নিতে পারেন

ফ্রিল্যান্সিংএ  আরও একটি ভালো সুবিধা হচ্ছে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী ক্লায়েন্ট বাছাই করে নিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে আপনার ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে যতক্ষণ না ক্লায়েন্ট আপনাকে তার কাজে নিয়োগ দেয়। 

মূলত এই সমস্ত সুবিধাদি অনেক লোককে ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিংকে বেছে নিতে আকর্ষণ করে। এবং কীভাবে সফল ফ্রিল্যান্সার হবেন? সে সম্পর্কে আগ্রহ তৈরী করে। 

 

অসুবিধাসমূহ

ফ্রিল্যান্সিং করার ক্ষেত্রে সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও রয়েছে। কেননা, ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য সবাই উপযুক্ত নয় আবার ফ্রিল্যান্সিং ও সবার জন্য উপযোগী নয়। সেক্ষেত্রে অসুবিধাসগুলো হলো:

 

আপনার ক্লায়েন্টেরও কাজের সিডিউল রয়েছে

হ্যাঁ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনি নিজের কাজের সিডিউল নিজেই নির্ধারণ করতে পারেন। তবে কখনো কখনো আপনাকে আপনার ক্লায়েন্টের সাথে কাজের আপডেট এর জন্য নির্ধারিত সময় মেইনটেইন করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।

আপনাকে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কাজ করতে হতে পারে। আর তাই আপনাকে সময় পরিচালনায় দক্ষ হতে হবে।

কাজ সবসময় ধারাবাহিক হয় না

আপনার নির্দিষ্ট ক্লায়েন্টের কাজ শেষ হওয়ার পর আপনাকে পরবর্তী কাজ পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে ( প্রথমদিকে কাজ পাওয়ার জন্য আপনার বিপণন করার এবং প্রচার করার প্রয়োজন পড়বে)। দক্ষ ফ্রিল্যান্সারেরা ক্লায়েন্টের একটি কাজ চালানোর পাশাপাশি আরও কাজ পাওয়ার জন্য ক্লায়েন্টের সন্ধান করে থাকে।

ফলে তারা তাদের কাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে এবং অল্প সময়েই তারা ফ্রিল্যান্সিং এ দক্ষ হয়ে উঠতে পারে। 

রাতারাতি ফ্রিল্যান্সিং এ সফল হওয়া সম্ভব নয়

ফ্রিল্যান্সিং এ খুব তাড়াতাড়ি সফল হওয়া এক রাতের ব্যাপার নয়। কেননা শুরুর দিকে আপনার ক্লায়েন্ট পেতে অনেকটা সময় লেগে যেতে পারে। তবে এটা পুরোপুরি আপনার আগ্রহ এবং পরিশ্রমের ওপর নির্ভরশীল।

ক্লায়েন্ট পেতে আপনাকে কাজে অধিকতর সময় দেয়ার এবং কঠোর পরিশ্রমের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। স্বল্প ব্যয়েরও প্রয়োজন হতে পারে। 

একাধিক ক্লায়েন্ট এবং প্রজেক্ট ম্যানেজ করা আপনার জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে

একসাথে একাধিক প্রজেক্টের সাথে কাজ করা এবং অধিক ক্লায়েন্টদের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা মেইনটেইন করা আপনার জন্য অসুবিধা হতে পারে। তাই ভালো ও মানসম্পন্ন সার্ভিস প্রদানের জন্য আপনাকে আপনার সময় এবং কাজের গতি বাড়াতে হবে। 

কীভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হবেন?

 

কীভাবে ফ্রিল্যান্সার হবেন?

ফ্রিল্যান্সার হওয়া ইন্টারনেটের মাধ্যমে কিছু অর্ডার করার মতোই সহজ। কীভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হবেন? এটা চিন্তা করার আগে আপনাকে ভাবতে হবে যে কীভাবে ফ্রিল্যান্সার হবেন?  তবে তার জন্য আপনাকে এমন সাইটগুলিতে যেতে হবে যেখান থেকে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারেন।

নিচে এমন কয়েকটি সাইটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যার মাধ্যমে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য ট্রাই করতে পারেন:

ফাইভার:

ফাইভার হচ্ছে ভবিষ্যত ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে বিশ্বের বৃহত্তম মার্কেটপ্লেস। এই ফাইভার মার্কেটপ্লেসে কাজ করার জন্য আপনাকে প্রথমে একটি নিজস্ব অ্যাকাউন্ট তৈরী করতে হবে।

আপনার কাজের দক্ষতা শেয়ার করার জন্য গিগস তৈরী করতে হবে এবং তা প্রচার করতে হবে।

99 Designs:

আপনি যদি ডিজাইনার হন এবং আপনার যদি খুবই ভালো দক্ষতা থাকে আপনার সার্ভিস প্রদানের জন্য এটি উপযুক্ত জায়গা। 

আপওয়ার্ক:

আপওয়ার্ক হ’ল এমন একটি প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি অনেক বেশি বিজনেস ক্লায়েন্ট পেতে পারেন।

Freelancer.com:

এটি হ’ল সবচেয়ে পুরোনো ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোর মধ্যে একটি। যা আপনি ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করার ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে বেছে নিতে পারেন।  

 

কীভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হবেন?

ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিংকে ধরে রাখার জন্য প্রচুর পরিশ্রম এবং ধৈর্যের প্রয়োজন। তবেই আপনি আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে সফল হতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে আপনার নিজের জন্য একটি ফ্রিল্যান্স ব্র্যান্ড সেটআপ করতে হবে।  আপনি নিচের পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করতে পারেন-

১)  আপনি কি ধরনের সার্ভিস অফার করবেন তা ঠিক করুন।

২) আপনি কোন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করতে চান তা টার্গেট করা নিশ্চিত করুন।

৩) আপনি আপনার সার্ভিসের অফার প্রমোট করবেন এমন সব প্ল্যাটফর্মগুলি (ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটগুলি) বেছে নিন। আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরী করুন।

৪) আপনার রেট নির্ধারণ করুন।

৫) আপনার niche-specific পোর্টফোলিও প্ল্যাটফর্মগুলিতে একটি অনলাইন পোর্টফোলিও তৈরি করুন। ডেভেলোপারদের জন্য-GitHub, ডিজাইনারদের জন্য-Behance ইত্যাদি সেরা। সেইসাথে আপনি আপনার দক্ষতা এবং প্রতিভা প্রদর্শনের জন্য একটি ব্যক্তিগত পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন।

৬) আপনার সার্ভিসগুলি প্রচুর পরিমাণে মার্কেটিং করুন। এক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং       করুন, ফ্রি বা খুব কম ব্যয়ে কিছু অফার করুন ( এটি আরও বেশি পরিমাণ ট্র্যাকশন পেতে আপনাকে সাহায্য করবে), রেফারেলের জন্য জিজ্ঞাসা করুন এবং ইমেল মার্কেটিং করুন।

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে খুব ভালো একটি আয়ের উৎস। তবে এতে তাড়াহুড়োর সাথে ঝাঁপিয়ে পড়ার কিছু নেই। আপনি প্রথম অবস্থায় কার্যকারিতা যাচাইয়ের জন্য এটিকে পার্ট-টাইম হিসেবে নিতে পারেন। এবং পরবর্তীতে আপনি কীভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হবেন? তা পুরোপুরি আপনার নিজের পরিশ্রম এবং ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে।

 

চূড়ান্ত পরামর্শ

মূলত, ফ্রিল্যান্সিং সবার জন্য উপযোগী নয় আবার সবাই এই কাজের জন্য উপযুক্তও নয়। সেক্ষেত্রে সকল পারিপার্শ্বিক দিক চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ। ফ্রিল্যান্সিং হলো একটি স্বাধীন পেশা। 

তবে ব্যক্তিত্বভেদে অনেকের চাকুরীজীবনই অধিক পছন্দের। আপনি যদি কোনো ট্রেডিশনাল কাজের চেয়ে মুক্তপেশার মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত নেন তবে ফ্রিল্যান্সিং কেবল আপনারই জন্য।

কীভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হবেন?

 

The post কীভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হবেন? appeared first on Study Tech.

]]>
https://www.studytechbd.com/%e0%a6%95%e0%a7%80%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/feed/ 0
কীভাবে ফাইভারে সেল বাড়াবেন? https://www.studytechbd.com/%e0%a6%95%e0%a7%80%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%ac/ https://www.studytechbd.com/%e0%a6%95%e0%a7%80%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%ac/#comments Sat, 29 Aug 2020 21:14:19 +0000 https://www.studytechbd.com/2020/08/29/%e0%a6%95%e0%a7%80%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%ac/ আপনার সার্ভিসগুলি অনলাইনে সেল এবং প্রচারের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেসগুলির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ফাইভার। ফাইভারের মতো একটি সেরা সাইটে অনেক ভালো মানের সার্ভিসগুলির বেসিক প্যাকেজ $৫ দিয়ে শুরু। এখানে ২ মিলিয়নেরও বেশি চমৎকার সার্ভিস পাওয়া যায়।  যে সকল সেলাররা তাদের ইউনিক সার্ভিস গুলি একটি ভালো এবং সাশ্রয়ী  মূল্যে সেল করার মাধ্যমে আয় করতে চান তাদের জন্য […]

The post কীভাবে ফাইভারে সেল বাড়াবেন? appeared first on Study Tech.

]]>
আপনার সার্ভিসগুলি অনলাইনে সেল এবং প্রচারের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেসগুলির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ফাইভার। ফাইভারের মতো একটি সেরা সাইটে অনেক ভালো মানের সার্ভিসগুলির বেসিক প্যাকেজ $৫ দিয়ে শুরু। এখানে ২ মিলিয়নেরও বেশি চমৎকার সার্ভিস পাওয়া যায়। 

যে সকল সেলাররা তাদের ইউনিক সার্ভিস গুলি একটি ভালো এবং সাশ্রয়ী  মূল্যে সেল করার মাধ্যমে আয় করতে চান তাদের জন্য ফাইভার একটি সেরা মার্কেটপ্লেস। একজন বায়ার এবং সেলার তাদের সার্ভিসগুলি সেল এবং কেনার জন্য বিভিন্ন ধরণের ক্যাটাগরি বেছে নিতে পারে। তবে একজন নতুন সেলারের ক্ষেত্রে তার সার্ভিসটি সেলের জন্য এটা কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। ফলস্বরূপ, তার প্রথম সেল হতে অনেক সময় লেগে যায়। কেননা, বায়াররা সবসময়ই একজন হাই রেটিং এবং অভিজ্ঞ সেলারের সন্ধান করে থাকে। 

তবে ভালো সেল পাওয়ার জন্য অবশ্যই হতাশ হওয়াটা একজন বুদ্ধিমান সেলারের কাজ নয়। ধৈর্য ধরে শুধুমাত্র কিছু  কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে আপনি ফাইভারে একজন টপ সেলারের জায়গাটি করে নিতে পারেন। সুতরাং, চলুন শুরু করা যাক।

নির্দেশনাসমূহ

১)  ফাইভারে প্রোফাইল ইমেজ যুক্ত করুন: 

ফাইভার প্রোফাইলে ছবি যুক্ত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সচরাচর অনেক বায়ার দেখা যায়, যারা কোনো সেলারদের প্রোফাইল ইমেজ না থাকলে তাদের কাছে থেকে গিগ কিনতে চায় না। সুতরাং, ফাইভারে একটি আকর্ষণীয় এবং প্রফেশনাল প্রোফাইল ফটো থাকা  আপনার অর্ডার পাওয়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয়। 

২) হাই রেটিং অর্জন নিশ্চিত করুন :

আপনার ফাইভারে আরো সেল বা অর্ডার পেতে আপনার গিগের জন্য হাই রেটিং অর্জন করার যথাসাধ্য চেষ্টা করুন। সেক্ষেত্রে  প্রথম অর্ডার পাওয়ার জন্য পজিটিভ ফিডব্যাক পেতে আপনি আপনার বন্ধুদের সাহায্য নিতে পারেন। প্রথম সেলটি এমন ভাবে সম্পন্ন করুন যাতে বায়ার আপনাকে ১০০% পজিটিভ ফিডব্যাক দেয় এবং পরবর্তীতে আপনার গিগ অর্ডার করতে দ্বিতীয়বার না ভাবে।

৩) গিগ সার্ভিসিংয়ে আপনার দক্ষতা নিশ্চিত করুন:

 ফাইভারে আপনি যে সার্ভিসটি প্রদান করছে তার ওপর আপনার কতটুকু দক্ষতা রয়েছে আগে তা নিশ্চিত হয়ে নিন। এই কাজটি সার্ভিসিং এর ক্ষেত্রে উপযুক্ত ক্যাটাগরি বাছাই করা আপনার জন্য সহজ করে দেবে। 

যেমন, আপনি যদি একজন ভালো SEO এক্সপার্ট হয়ে থাকেন এবং গুগল সার্চ ইঞ্জিনে আপনার কোনো কীওয়ার্ড র‌্যাঙ্ক করার দক্ষতা থাকে , তবে আপনি আপনার গিগ সার্ভিসটি এসইও ক্যাটাগরিতে অফার করুন। অতএব,আপনি আপনার দক্ষতা নিশ্চিত করুন, আপনার গিগ আপনার অর্ডার পাওয়া নিশ্চিত করবে। এবং সেইসাথে আপনি কীভাবে ফাইভারে সেল বাড়াবেন তাও নিশ্চিত করবে।

৪) গিগ ডিস্ক্রিপশন দীর্ঘ করুন:

 আপনার গিগ ডিস্ক্রিপশনটি সংক্ষিপ্ত না করে তুলনামূলক দীর্ঘ করুন। এতে আপনার সার্ভিস সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করুন এবং FAQ যুক্ত করুন। 

৫) গিগে ভিডিও যুক্ত করুন: 

গিগে ভিডিও যুক্ত করার মাধ্যমে বায়ারদেরকে সহজেই আকৃষ্ট করা যায়। আপনি কি ধরনের সার্ভিস দিচ্ছেন, সার্ভিসটিতে আপনার দক্ষতা কতটুকু এবং বায়ার আপনার কাছে থেকে কি আশা করতে পারে, এই তথ্যগুলি একটি ভিডিও তৈরী করার মাধ্যমে বায়ারদের কাছে তুলে ধরুন। যাতে বায়ার আপনার গিগ সম্পর্কিত ধারণা পেয়ে যায় এবং আপনার গিগটি অর্ডার করতে আগ্রহী হয়। 

৬)  গিগে বায়ার-ফ্রেন্ডলি কীওয়ার্ড যুক্ত করুন:

গিগে আরও বেশি  এক্সপোজার পেতে এমন কীওয়ার্ড বাছুন যেগুলো বায়াররা ফাইভার সার্চ বক্সে টাইপ করে থাকে। এক্ষেত্রে আপনার সার্ভিসের ন্যায় একই  ধরনের সার্ভিস অফার করছে সেইসব টপ সেলারদের গিগের কীওয়ার্ডগুলি কপি করতে পারেন। গিগ ডিস্ক্রিপশনে কীওয়ার্ড যুক্ত করুন। তবে অবশ্যই একই কীওয়ার্ড দুবারের বেশি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। 

Fiverr সাকসেস

তাই, কীভাবে ফাইভারে সেল বাড়াবেন তা নির্ভর করবে আপনার সঠিক নির্দেশনা মেনে চলার উপর। সর্বোপরি, ফাইভারে সফল হতে হলে দক্ষতা এবং কৌশলের সাথে এগিয়ে যেতে হবে। ফাইভারে নতুন অবস্থায় খুব দ্রুত সেল পাওয়া যেমন সহজ ব্যাপার নয়, তেমনি নির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বন করলে তা একেবারে কঠিনও নয়। শুধু একটুখানি ধৈর্য ও পরিশ্রমের প্রয়োজন।

The post কীভাবে ফাইভারে সেল বাড়াবেন? appeared first on Study Tech.

]]>
https://www.studytechbd.com/%e0%a6%95%e0%a7%80%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%ac/feed/ 2
ফাইভারে সেল বাড়াতে ৫ টি টপ কিলার টিপস https://www.studytechbd.com/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a7%ab-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%aa/ https://www.studytechbd.com/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a7%ab-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%aa/#respond Fri, 28 Aug 2020 21:12:07 +0000 https://www.studytechbd.com/2020/08/28/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a7%ab-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%aa/ নতুন ফাইভার সেলারদের এটা একটা কমন প্রশ্ন যে, ” আমি কীভাবে ফাইভারে বেশি সেল পাবো।” বেশিরভাগ সেলারদের এই প্রশ্ন করতে দেখা যায়। আপনি যদি নতুন সেলার হোন বা অলরেডি সেল পাওয়া শুরু করেছেন, তবে তা আরও বাড়াতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনাকে আপনার ফাইভারে ২০০% সেল বাড়ানোর জন্য সাহায্য করতে প্রস্তুত।  ফাইভারে সেল পাওয়ার বেশ […]

The post ফাইভারে সেল বাড়াতে ৫ টি টপ কিলার টিপস appeared first on Study Tech.

]]>
নতুন ফাইভার সেলারদের এটা একটা কমন প্রশ্ন যে, ” আমি কীভাবে ফাইভারে বেশি সেল পাবো।” বেশিরভাগ সেলারদের এই প্রশ্ন করতে দেখা যায়। আপনি যদি নতুন সেলার হোন বা অলরেডি সেল পাওয়া শুরু করেছেন, তবে তা আরও বাড়াতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনাকে আপনার ফাইভারে ২০০% সেল বাড়ানোর জন্য সাহায্য করতে প্রস্তুত। 

ফাইভারে সেল পাওয়ার বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। আর তাই ফাইভারে সেল বাড়ানোর উপায়সমূহ আলোচনা করার আগে সেল পাওয়ার কৌশল সম্পর্কে আলোচনা করাটা অধিক যুক্তিযুক্ত বলে আমি মনে করি।

আপনি গত দু’সপ্তাহ আগে নতুন ফাইভার অ্যাকাউন্ট তৈরী করেছেন, কিন্তু এখনো কোনো অর্ডার বা সেল পাননি। এর কারণ হতে পারে বায়ার আপনার গিগটিকে অর্ডার করার উপযুক্ত বলে মনে করে নি। সুতরাং, সেল পেতে হলে ফাইভারে আপনার বায়ার-ফ্রেন্ডলী গিগ থাকা প্রয়োজন। 

আর তাই ভালো মানের একটি গিগ তৈরী করতে আপনাকে হলে নিম্নোক্ত বিষয়গুলির দিকে নজর দিতে হবে।

প্রোফাইলে স্পষ্ট ও আকর্ষণীয় ছবি যুক্ত করুন :

এটা ১০০% সত্যি যে, আমরা যা দেখি তাতেই অনুপ্রাণিত হয়ে যাই। অনুরুপভাবে, বায়াররাও ডিফল্ট প্রোফাইল ব্যবহারকারীর চেয়ে একটি ভালো ও স্পষ্ট ছবি যুক্ত প্রোফাইল ব্যবহারকারী সেলারের থেকে গিগ অর্ডার করতে বেশি আগ্রহী থাকে। আর তাই, আপনার প্রোফাইলে ব্যবহার করা ছবিটি সুস্পষ্প এবং আকর্ষণীয় কি না তা নিশ্চিত করুন। 

এক্ষেত্রে আপনি গুগল থেকে বেশকিছু আকর্ষণীয় ছবি বাছাই করতে পারেন। তবে, কোনো সেলিব্রেটির ছবি ব্যবহার করা থেকে দূরে থাকুন। আপনি কি জানেন কাস্টমার কেয়ারের রিপ্রেজেনটিভরা সব সময় আকর্ষণীয়ভাবে কেন থাকে? অবশ্যই, কাস্টমারদের আকর্ষণর জন্য। যাতে করে তাদের ভালো সেল হয় এবং তারা আরও অধিক কাস্টমার লাভ করতে পারে। ফাইভারের ক্ষেত্রেও ঠিক একই রকম, একটি আকর্ষণীয় প্রোফাইল আপনার সেল বাড়িয়ে দিতে সক্ষম।

ভালো মানের গিগ শিরোনাম বাছাই করুন: 

গিগ শিরোনাম লেখার ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখবেন যেন তা বেশি বড় না হয়ে যায়। গিগ শিরোনাম EYE-CATCHING হওয়া জরুরী। সুতরাং, শিরোনাম ছোট করার চেষ্টা করুন। 

গিগের ডিস্ক্রিপশন দীর্ঘ করুন: 

আপনি আপনার গিগে কি অফার করছেন, সার্ভিসিংএ আপনার দক্ষতা কতটা, কিভাবে আপনি বায়ারের ডেলিভারি সম্পন্ন করেন, বায়ার আপনার থেকে গিগ অর্ডার করার ক্ষেত্রে কতটা উপকৃত হতে পারে ইত্যাদি আপনার গিগ ডিস্ক্রিপশনে লিখুন। এবং চেষ্টা করবেন যেন আপনার গিগটি অবশ্যই বর্ণনামূলক হয়। একটি দীর্ঘ ডিস্ক্রিপশনযুক্ত গিগ ফাইভারে আপনার সেল বাড়িয়ে দিতে যথেষ্ট কার্যকর।

প্রথম সেল পাওয়ার পরও দেখা যায় যে পরবর্তী সেল পেতেও অনেক দেরী হয়। সেক্ষেত্রে আরো কিছু কৌশল অবলম্বন করার মাধ্যমে ফাইভারে সেল বাড়ানো সম্ভব। নিচে ফাইভারে সেল বাড়াতে ৫ টি টপ কিলার টিপস সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:

(১) ট্র্যাফিক বাড়ানোর চেষ্টা করুন:

ভালো সেল পাওয়ার জন্য ট্র্যাফিক প্রয়োজন। কিন্তু আপনার গিগের জন্য ট্র্যাফিক বাড়াবেন কি করে? এর দুটি সহজ উপায় রয়েছে।

প্রথমত, আপনার গিগ বা ফাইভার প্রোফাইলের জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরী করুন। ওয়েবসাইট তৈরীর ক্ষেত্রে আপনি Blogger.com ব্যবহার করতে পারেন। ওয়েবসাইট তৈরীর পর আপনি ফেইসবুকসহ বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়া নেটওয়ার্কগুলিতে আপনার ওয়েবসাইটের URL শেয়ার করুন। ওয়েবসাইট লিঙ্ক শেয়ার করার পাশাপাশি আপনি আপনার গিগের একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা তুলে ধরতে পারেন। ‍সেইসাথে, আপনার পূর্বের কাজের লিঙ্কগুলিও এড করুন। এটি আপনার গিগে তুলনামূলক ট্র্যাফিক বাড়িয়ে দেবে।

দ্বিতীয়ত, ক্লায়েন্ট আপনার কাছে আসার অপেক্ষা না করে আপনি নিজে ক্লায়েন্টের কাছে যান। উদাহরণস্বরূপ, আপনি WordPress Error ফিক্স করেন। সেক্ষেত্রে আপনি গুগলে সার্চ করতে পারেন, “Help Fixing WordPress Error”। দেখতে পারবেন এমন অনেক বায়ার আছে যারা এই ধরনের সার্ভিস খুঁজছে। সুতরাং, অপেক্ষা না করে আপনি নিজে তাদেরকে নক করুন।

(২) আপনি নিজেই আপনার গিগ অর্ডার করুন:

বায়াররা সাধারণত পজিটিভ রিভিউ প্রাপ্ত গিগের সন্ধান করে থাকে। নতুন সেলারদের এটা থাকে না বলে তাদের অর্ডার পেতে অনেক সময় লেগে যায়। সেক্ষেত্রে আপনি আপনার ২-৩ টি ফাইভার প্রোফাইল তৈরী করুন। তবে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যে, প্রত্যেকটি ফাইভার অ্যাকাউন্ট যেন আলাদা আলাদা সার্ভিসের হয়। তারপর আপনি আপনার নিজের গিগ নিজেই অর্ডার করুন এবং পজিটিভ রিভিউ দিন। এই কৌশল আপনার সেলকে দ্রুত বাড়িয়ে দেবে। 

(৩) গিগে বেশি ইমেজ আপলোড করুন:

আপনার গিগে কমপক্ষে তিনটি ইমেজ আপলোড করুন। আপনি কি ধরনের সার্ভিস দিচ্ছেন, তার বর্ণনা গিগ ইমেজের মাধ্যমে তুলে ধরুন। যেন বায়াররা আপনার গিগ ডিস্ক্রিপশন পড়ার পূর্বে গিগ ইমেজ দেখেই আপনার সার্ভিস সম্পর্কে ধারনা লাভ করতে পারে। আপনার গিগ ইমেজ যত বেশি আকর্ষণীয় হবে, আপনার সেল পাওয়ার সম্ভাবনাও তত বেড়ে যাবে। 

(৪) গিগে ভিডিও আপলোড করুন:

আপনার গিগের জন্য একটি ভিডিও তৈরী করুন। যার মাধ্যমে আপনি আপনার সার্ভিসটি সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরতে পারেন। ভিডিওটিতে এমনভাবে আপনার সার্ভিসকে বর্ণনা করুন, যাতে বায়ার আপনার গিগটিকে অর্ডার করতে দেরী না করতে পারে। এই কৌশল বায়ারদের চোখে আপনার সার্ভিস সম্পর্কিত দক্ষতাকে প্রকাশ করে। 

(৫) সঠিক সার্ভিস প্রদান করুন:

সার্ভিস প্রদানের ক্ষেত্রে সঠিক মূল্যের গিগ প্যাকেজ নির্ধারন করুন। উদাহরণস্বরূপ, আপনার গিগের সার্ভিস প্যাকেজ হচ্ছে $10 । কিন্তু আপনি সঠিক মূল্য না জানার কারণে $5 এই আপনার সার্ভিসটি দিতে চাইলেন। এতে আপনার বায়ার কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা, বায়ার এই ক্ষেত্রে আপনার কাজের অদক্ষতা বিচার করবে এবং আপনার কাছে অর্ডার করতে চাইবে না। তাই, আপনার গিগের সঠিক মূল্য নির্ধারণ করুন এবং সঠিক সার্ভিস প্রদান করুন। এটা ভালো সেল পাওয়ার অন্যতম অনন্য উপায়। 

সুতরাং, এখন আপনার পালা। ফাইভারে সেল পাওয়ার জন্য এবং ফাইভারে সেল বাড়াতে ৫ টি টপ কিলার টিপস মেনে চলুন। সঠিক কৌশল মেনে এগিয়ে যেতে পারলে নতুন সেলার হওয়ার পরও আপনার সেল পেতে কোনো বিলম্ব হবে না। 

The post ফাইভারে সেল বাড়াতে ৫ টি টপ কিলার টিপস appeared first on Study Tech.

]]>
https://www.studytechbd.com/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a7%ab-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%aa/feed/ 0